ভেনিজুয়েলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের গতকাল ছিল সপ্তম দিন। বিদ্যুৎ না থাকায় নগরবাসীর নিত্যপ্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ সম্ভব না থাকায় অতিষ্ঠ মানুষ পয়ঃনিস্কাশনের নালার প্রান্তে ভিড় করছে। রাজধানী কারাকাসের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা গুয়েইরায় নগরীর নালার সব পানি পড়ায় নদীটির পানি কুচকুচে কালো রঙের এবং দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে। নদীর পানির তুলনায় নর্দমা বেয়ে আসা ওই পানি অপেক্ষকৃত পরিস্কার দেখা যাওয়ায় বড় বড় প্লাস্টিকের বোতলে সে পানিই সংগ্রহ করছেন স্থানীয়রা। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

ভেনিজুয়েলাজুড়ে চলমান বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে যে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছে, অন্যতম হলো পানির অভাব। যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের কারণে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে বলে অভিযোগ দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর। অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষ এর পেছনে সরকারের দুর্নীতি ও অযোগ্যতাকে দায়ী করছে। কারাকাসে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২০ হাজার লিটার পানির প্রয়োজন পড়ে বলে জানান প্রকৌশলী হোসে দে ভিয়ানা। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে তারা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৩ হাজার লিটার পানির জোগান দিতে পেরেছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হওয়ার পর সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে। পানির দাবিতে সড়ক অবরোধ করা ৫২ বছরের গৃহিণী গ্লাডিস মার্টিনেজ বলেন, 'তারা আমাদের ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় মেরে ফেলছে।'

গণতন্ত্র ফেরাতে সব বিকল্প নিয়ে ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র :যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, মাদুরোর কবল থেকে ভেনিজুয়েলাকে বাঁচাতে সব ধরনের বিকল্প নিয়ে ভাবছে তার দেশ। মঙ্গলবার সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার ওপর কিছু স্বল্পমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার অর্থনীতি পুনর্নির্মাণ করে দেবে, যেখানে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য দেশটির জনগণ আবারও সম্পদের মালিক হবে।

মন্তব্য করুন