ভোটের চিত্র

ভোটের শেষ উৎসবেও পশ্চিমবঙ্গে সংঘর্ষ

প্রকাশ: ২০ মে ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

ভোটের শেষ উৎসবেও পশ্চিমবঙ্গে সংঘর্ষ

পশ্চিমবঙ্গের কাঁকিনাড়ায় রোববার ভোটকেন্দ্রের সামনে বোমাবাজি -আনন্দবাজার

শেষ হচ্ছে দীর্ঘ ভোটযুদ্ধের। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের শেষ বা সপ্তম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো গতকাল রোববার। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশপরগনার ৯টি লোকসভা আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এদিন। আগের দিন থেকেই নেওয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। শনিবার রাত থেকেই এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে থাকে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

গতকাল সকালে ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে সংঘর্ষের খবর আসতে শুরু করে। উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়ায় সিপিএমের এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। তিলজলায় সংঘর্ষে জড়ায় তৃণমূল-বিজেপি। এতে আহত হন এক বিজেপি সমর্থক।

দক্ষিণ কলকাতার ছিট কালিকাপুর প্রাইমারি স্কুলের একটি বুথ দখল করে সিপিএম এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। দলটির বিরুদ্ধে বারুইপুরের একাংশে ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী মালা রায়কে তার নিজের ভোটকেন্দ্রে ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া ঢুকতে দেয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভাটপাড়া উপনির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কাঁকিনাড়া। দফায় দফায় তৃণমূল ও বিজেপি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বুথ দখল, সংঘর্ষ, বোমা বিস্ম্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ২৩ মিনিটে ভবানীপুরে ভোট দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, 'কেন্দ্রীয় বাহিনী যেভাবে বিজেপির হয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে তা আগে কখনও দেখিনি।' এর কিছুক্ষণ আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ তুলে নিউটাউন থানায় বিক্ষোভ করেন তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ৪০ মিনিট বিক্ষোভ দেখানোর পর তিনি সেখান থেকে চলে যান।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আরও ছয় রাজ্য এবং একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে শেষ ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হলেও পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৪টার মধ্যেই।

উত্তরপ্রদেশের চান্দৌলিতে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। ওই এলাকার তারা জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, তাদের গ্রামের তিনজন জোর করে তাদের আঙুলে ভোটের কালি লাগিয়ে দেন। তাদের হাতে ৫০০ টাকাও গুঁজে দেন তারা।