নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বহু নাগরিক নিহত

সুদান সংকট

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

আফ্রিকান ইউনিয়নে সুদানের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কয়েকদিন ধরে চলা বিক্ষোভে ৬০ জনেরও বেশি নিহত হওয়ার পর সংস্থাটি এ সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের মতে, সুদানে বেসামরিক নেতৃত্বাধীন একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন না করা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে ইউনিয়ন। ওমর আল বাশির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এ সপ্তাহে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

গত কয়েকদিনে সুদানে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবর্ষণে ব্যাপক হতাহতের খবর আসতে থাকলেও কর্তৃপক্ষ তেমন কিছু বলেনি। রাজধানী খার্তুমে কয়েকদিন ধরে চলা বিক্ষোভে ৬১ জন নিহত হয়েছে বলে সরকার বলেছে, তবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডাক্তাররা বলছেন নিহতের সংখ্যা শতাধিক। এসএফ নামের আধা-সামরিক বাহিনীর লোকেরা, যাদের আগে জাজাওয়িদ মিলিশিয়া বলা হতো, প্রায় জনশূন্য রাজধানীর রাস্তাগুলোতে টহল দিচ্ছে এবং বেসামরিক লোকজনদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

সুদানের সামরিক কাউন্সিল বিক্ষোভকারীদের প্রতি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন; কিন্তু বিরোধীদলীয় কর্মীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলছে, কর্তৃপক্ষ যেরকম সহিংস উপায়ে বিক্ষোভকারীদের দমন করার পথ নিয়েছে, তাতে তারা এই সামরিক কাউন্সিলকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না। সামরিক কাউন্সিলের ডেপুটি প্রধান মোহাম্মদ হামাদান ওই দমননীতিকে সমর্থন করে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দুর্বৃত্ত এবং মাদকব্যবসায়ীরা ঢুকে পড়েছে। তারা বিশৃঙ্খলা সহ্য করবেন না। ইউনিয়ন অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডগুলোর তদন্তেরও দাবি জানিয়েছে। গত এপ্রিলে বিক্ষোভ এবং সেনা অভ্যুত্থানের মুখে সাবেক প্রেসিডেন্ট ওমর আল বাশির ক্ষমতাচ্যুত হবার পর জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আল-বুরহান হচ্ছেন দ্বিতীয় সামরিক প্রশাসক।