কর্ণাটকে কংগ্রেস পরীক্ষা

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

একের পর এক বিক্ষুব্ধ বিধায়কের পদত্যাগের পর আগামী বৃহস্পতিবার আস্থা ভোটের মুখোমুখি হবে কর্ণাটকের জোট সরকার। গতকাল সোমবার এ কথা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে রাজ্যের বিধানসভায় ক্ষমতাসীন কংগ্রেস ও জেডিএস জোট সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে এ পরীক্ষা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্রমেই ছোট হয়ে আসা ভারতের সর্বপ্রাচীন দল কংগ্রেসের জন্য। এ রাজ্যে ক্ষমতা হারালে বিজেপি তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলার আরও সুযোগ পাবে। আর এ কাজটিই করতে চায় বিজেপি। তাদের বাজিমাতের তুরুপের তাস হবেন পদত্যাগ করা কংগ্রেসের বিধায়করাই। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু ও এনডিটিভির।

গতকাল দুপুরে বিধানসভার স্পিকার রমেশ কুমারের সঙ্গে শাসক ও বিরোধী দু'পক্ষেরই বৈঠক হয়। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর পদত্যাগ দাবি করেন বিজেপি নেতারা। বিজেপির আরও দাবি, কর্ণাটকের জোট সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এ দিনই বিধানসভায় অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন তারা। তবে বিধানসভায় কার্যাবলি নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্যানেলের সঙ্গে বৈঠকের পর কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া জানান, বৃহস্পতিবারই আস্থা ভোট হবে।

আস্থা ভোটের দিন ঘোষণার আগে আরও এক প্রস্থ নাটকীয় পরিস্থিতি দেখা দেয় মুম্বাইয়ে। সেখানকার হোটেলে আশ্রয় নেওয়া কর্ণাটকের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, আস্থা ভোটের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনো রকমের সমঝোতায় যেতে নারাজ তারা। কংগ্রেস থেকে হুমকির আশঙ্কায় পুলিশের কাছে গতকাল আবারও চিঠি দেন মুম্বাইয়ের হোটেলে আশ্রয় নেওয়া কর্ণাটকের ১৪ বিধায়ক। এর ফলে আরও ঘোলাটে হয়ে যায় রাজ্যের জোট সরকারের ভবিষ্যৎ। এ অবস্থায় সোমবার দুপুরে কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার রমেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি নেতারা। পাল্টা হিসেবে শাসক দলের নেতাসহ মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীও স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এর আগে মুম্বাই পুলিশের কাছে লেখা একটি চিঠিতে বিক্ষুব্ধ বিধায়করা দাবি করেন, কংগ্রেস নেতারা তাদের সঙ্গে দেখা করে হুমকি দিতে পারেন। সে কারণেই কর্ণাটক বা মহারাষ্ট্রের কোনো কংগ্রেস নেতার সঙ্গে দেখা করতে চান না তারা।