বিহার-আসামে পানিবন্দি ৪৪ লাখ মানুষ

হিমাচলে ভবন ধসে ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

 হিমাচলে ভবন ধসে ১৩ জনের মৃত্যু

ভারতের হিমাচল প্রদেশের সোলান জেলায় রোববার ভারি বৃষ্টিতে ধসে পড়া ভবনে আটকাপড়াদের উদ্ধারে চলছে অভিযান -এএফপি

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় হিমাচল প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাতে একটি বহুতল ভবন ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় সেনাসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। রোববার স্থানীয় সময় বিকেলে শিমলা থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে সোলানে ঘটনাটি ঘটে। ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে সাত সেনাসহ আরও প্রায় ১২ জন আটকা পড়ে রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে এক টুইটে জানিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর। এদিকে প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় বিহার ও আসামে প্রাণ হারিয়েছেন আটজন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৪৪ লাখ মানুষ। খবর এনডিটিভির।

কর্মকর্তারা জানান, ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন বেসামরিক ও ছয় সেনাসদস্য রয়েছেন বলে গতকাল এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। উদ্ধারের পর তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভবনটির মালিকের স্ত্রী ও দুই সেনাকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করার পর তারা মারা যান।

তিনতলা ওই ভবনটির নিচতলায় একটি রেস্তোরাঁ ও ওপরে ছোট একটি গেস্ট হাউস ছিল। সেনাবাহিনীর প্রায় ৩০ সদস্য ও তাদের পরিবারের লোকজন উত্তরাখন্ড যাওয়ার পথে ওই রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খেতে থেমেছিলেন বলে এক জেলা কর্মকর্তা জানান। ওই সময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের ঢালুতে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটি ধসে পড়ে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পরও কয়েক ঘণ্টা বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে। ঘটনার পর অবহেলার অভিযোগ এনে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। এদিকে টানা বৃষ্টিতে বিহারে বন্যা দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বন্যা পরিস্থিতিতে রাজ্যের ৯টি জেলায় প্রায় ১৮ লাখ মানুষ ক্ষতির শিকার হয়েছে। এ অবস্থায় গতকাল সোমবার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। অপরদিকে আসামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের  মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে  ২৬ লাখ মানুষ।