ভারতের সংসদে মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা জঙ্গি তৈরির কারখানা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০১৯

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসাগুলো জঙ্গি তৈরির কারখানা। এগুলো তরুণ-তরুণীদের মগজ ধোলাইয়ের কাজে ব্যবহার করছে বাংলাদেশি জঙ্গিরা। বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামা'আতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) এ মাদ্রাসাগুলো ব্যবহার করছে। গত মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। তবে তার এ মন্তব্যের প্রতিবাদে গতকাল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে ইসলামপন্থি কয়েকটি সংগঠন ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকার।

কিষান রেড্ডির অভিযোগ, ভারতের বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক জঙ্গিশিবির পরিচালনা করছে জেএমবি। সেই শিবিরে নিয়মিত যাতায়াত করে লস্কর-ই-তৈয়বার জঙ্গিরা। শুধু আত্মগোপনের জন্যই নয়, সংগঠনে জনবলও নিয়োগ করছে তারা। এসব করা হচ্ছে মসজিদ-মাদ্রাসাগুলো থেকে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও মালদা জেলার মাদ্রাসাগুলোকে নিশানা করা হয়েছে। আসামের মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলোতেও একই কায়দায় জঙ্গি বানানো হচ্ছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, বাংলাদেশ ও ভারতে গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে শরিয়াহ্‌ আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে জেএমবি। এজন্য পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে গোপন আস্তানা তৈরি করেছে তারা।

রেড্ডির বক্তব্যের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ওই বক্তব্য আমি শুনিনি। শুনে মন্তব্য করতে হবে। তবে একজন মাদ্রাসা শিক্ষককে 'জয় শ্রীরাম' ধ্বনি দিতে বল প্রয়োগ করাটাও ঠিক কাজ নয়। এদিকে, গত সপ্তাহে শিয়ালদহ থেকে নব্য জেএমবির চারজনকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। তাদের তিনজনই বাংলাদেশের। এরপরই রেড্ডি এ মন্তব্য করলেন।