যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের একগুঁয়ে ব্রেক্সিট নীতির কারণে এবার তার মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন অ্যাম্বার রাড। কর্ম ও অবসর ভাতাবিষয়ক এই মন্ত্রী কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য পদও ত্যাগ করছেন। অ্যাম্বার রাডের এই পদক্ষেপ জনসনের জন্য আরেকটি ধাক্কা। কারণ তিনি মন্ত্রিসভা ও দল ছাড়লেও সংসদ সদস্য থাকছেন। এখন তিনি যদি সংসদে বিরোধী শিবিরে শামিল হন, তাহলে আরও বিপদে পড়বেন জনসন।

এদিকে, আম্বার রাডের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন পরিবেশমন্ত্রী টেরেজ কফে। তিনি ব্রেক্সিটের কট্টর সমর্থক। গতকালই তার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন জনসন। এর তিন দিন আগে তার ছোট ভাই জো জনসন মন্ত্রিসভা ও দল ত্যাগ করার ঘোষণার দেন। এসব ঘটনায় ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন জনসন। মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে অ্যাম্বার রাড উল্লেখ করেছেন, যেখানে দলের মধ্যপন্থি এমপিদের বহিস্কার করা হয়েছে, সেখানে তিনি থাকতে পারেন না। খবর বিবিসি ও এএফপির।

চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে বিরোধীদের সঙ্গে হাত মেলানোয় ২১ জন আইনপ্রণেতাকে গত মঙ্গলবার দল থেকে বহিস্কার করেন প্রধানমন্ত্রী জনসন। এই ঘটনাকে 'শিষ্টাচার ও গণতন্ত্রের ওপর হামলা' হিসেবে আখ্যায়িত করেন অ্যাম্বার রাড। তার ঘোষণার পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট। প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, অ্যাম্বার রাডের মতো প্রতিভাবান একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট হতাশ। তবে সরকারের এক মুখপাত্রের দাবি, মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়া সব মন্ত্রীরই ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিটে সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল।

মন্তব্য করুন