টালমাটাল ইমরান সরকার করাচিতে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২০

সমকাল ডেস্ক

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের পুলিশপ্রধান ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) মুস্তাক মাহারকে অপহরণের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট নওয়াজ শরিফের জামাতা মোহাম্মদ সাফদারকে গ্রেপ্তারে চাপ প্রয়োগ করতেই পুলিশপ্রধানকে সেনাবাহিনী উঠিয়ে নিয়েছিল বলে অভিযোগ বিরোধী দলগুলোর। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নজিরবিহীন আন্দোলন শুরু করেছে। এরই মধ্যে পুলিশপ্রধানকে 'অপহরণ'র ঘটনায় করাচিতে 'গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি' সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা।

গত রোববার করাচিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন শরিফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজের স্বামী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন সাফদার। পরদিন সোমবার করাচির একটি হোটেল থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাফদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পরই সিন্ধু প্রদেশের পিএমএল-এন নেতারা অভিযোগ তোলেন, সেনাবাহিনী পুলিশপ্রধানকে অপহরণ করে সাফদারকে গ্রেপ্তার করেত বাধ্য করেছে।

মঙ্গলবার সিন্ধুর পুলিশপ্রধানসহ বাহিনীর বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ঘটনার প্রতিবাদে অবসরের ঘোষণা দেন। তাদের অভিযোগ, সোমবার রাতে সিন্ধু পুলিশপ্রধান মুস্তাক মাহারের বাড়ি ঘেরাও করে নিরাপত্তা বাহিনীর (সেনাবাহিনী ও রেঞ্জার্স) সদস্যরা। এ সময় সেখানে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধাবস্থার সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে ডন। এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে গতকাল করাচির গুলশান ই-ইকবাল এলাকায় একটি বহুতল ভবনে বিস্ম্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। ডন জানিয়েছে, ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে বিস্ম্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।