করোনা মহামারিতে বিপর্যয় কাটানোর প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে ভারতীয়দের। আজ ভারতজুড়ে অনুষ্ঠানিকভাবে টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। এদিন সকাল ১০টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম দিনে একযোগে তিন হাজার ছয়টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ২০৪টি কেন্দ্র রয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আজ সকাল ১০টায় দেশজুড়ে করোনার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনের কথা রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সব টিকাদান কেন্দ্রই এ সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত থাকবে। প্রথম দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ ব্যক্তিকে করোনার টিকা দেওয়া হবে। ভারতের মোদি সরকার দেশটির মানুষের জন্য দুটি করোনার টিকা প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। একটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কভিশিল্ড এবং অন্যটি ভারতের হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের তৈরি কো-ভ্যাকসিন। তবে পশ্চিমবঙ্গে দেওয়া হচ্ছে কভিশিল্ড। ইতোমধ্যে দেশের সব টিকাদান কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে এই দুটি টিকা। ভারতের ১৩টি শহরে এই টিকা পাঠানো হয়েছে আকাশপথে। তবে চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ না করেই ভারত বায়োটেকের কভিশিল্ড টিকা সর্বসাধারণের জন্য প্রয়োগ করা নিয়ে দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের টিকা-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান ভিকে পল বলেছেন, এখন আমরা কভিশিল্ড এবং কো-ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলেও আরও দুটি টিকা জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োগের জন্য অনুমতি চেয়েছি। ওই দুটি টিকা হলো- ফাইজার ও রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি। যদিও ভারত সরকারের কাছে সবচেয়ে আগে ফাইজার টিকার অনুমোদন চাইলেও ভারত সরকার সেই অনুমোদন দেয়নি। কারণ, ওই টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সংরক্ষণ করতে হয়, যা করতে গেলে ভারত সরকারের ওই তাপমাত্রার কোল্ড চেইন তৈরি করতে হবে।

মন্তব্য করুন