প্রথম দিনে যা করলেন কমলা

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২১

সমকাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়ে এরই মধ্যে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন কমলা হ্যারিস। দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী, কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি। স্বভাবতই তার প্রথম দিনের কার্যক্রম নিয়ে বেশ কৌতূহল রয়েছে সবার মনে। ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে আগের সবার মতো সরকারি বাসভবন নম্বর ওয়ান অবজার্ভেটরি সার্কলে থাকা এবং হোয়াইট হাউসে প্রথম দিনের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও কমলার ক্ষেত্রে কিছুটা বৈচিত্র্য দেখা গেছে। তিনি গত বৃহস্পতিবার তার প্রথম অফিস পেন্সিলভানিয়া অ্যাভিনিউর বাসা থেকে এসেই করেছেন। খবর বিবিসির।

একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে তার প্রথম দিনের কর্মসূচির মধ্যে থাকে একটি নাতিদীর্ঘ বক্তব্য, যা কিছুটা স্বল্প বোধগম্য, বিদ্রূপাত্ত্বক এবং সাংবিধানিক ভূমিকার বাইরে গিয়ে কিছু কথা বলা। দীর্ঘ সময় ধরে এ রীতিই চলে আসছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার মিলার সেন্টারের প্রেসিডেনশিয়াল স্টাডিজের পরিচালক বারবারা পেরি বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্টের ভূমিকা হলো প্রেসিডেন্টের খুবই কাছাকাছি এবং নিবিড়ভাবে অবস্থান করা। প্রেসিডেন্টের মৃত্যু কিংবা গুরুতর অসুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত সার্বক্ষণিক তার পাশে থাকা এবং নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করা। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে এক ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, 'প্রতিদিন আমি হোয়াইট হাউসের দরজায় কড়া নাড়ি এবং প্রেসিডেন্টের জবাবের জন্য অপেক্ষা করি।'

ভাইস প্রেসিডেন্টে হিসেবে কমলা হ্যারিস তার নিজের মতো করেই প্রথম দিনের কর্মসূচি সম্পন্ন করেছেন। তিনি সকালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ভার্চুয়াল প্রার্থনা সভায় অংশ নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ সব বৈঠকে অংশ নিয়েছেন, নতুন বসের কর্মসূচি সাজাতে সাহায্য করেছেন যেন বুধবার স্বাক্ষর করা প্রেসিডেন্টের ১৫টি নির্বাহী আদেশ সফল হয়। একই সঙ্গে তিনি দৈনিক গোয়েন্দা ব্রিফিং গ্রহণ করেছেন। এর আগে তিনি নিজের সিনেটর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে তিনি ওয়াশিংটনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সরকারি বাসভবনে উঠবেন। একই সঙ্গে তিনি এয়ার ফোর্স-২-এ প্রবেশাধিকার, একটি বোয়িং-৭৫৭ এবং সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা পাবেন।