যুক্তরাষ্ট্রে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস থেকে বাইডেন এ-সংক্রান্ত প্রথম পদক্ষেপ ঘোষণা দেন। এদিকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য সহায়তা বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বাইডেন প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাতিল করা সেই তহবিল পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাইডেন। খবর বিবিসি ও এএফপির।

যুক্তরাষ্ট্রে সহজলভ্য আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে একের পর এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে। এমন প্রেক্ষাপটে আগ্নেয়াস্ত্র বিতর্ককে চাঙ্গা না করে বাইডেন নিজের পন্থায় ব্যবস্থা নেন। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, বাইডেনের নির্বাহী আদেশে 'অদৃশ্য' অস্ত্রসহ বৈধভাবে সহজে সংগ্রহ করা যায়, এমন হালকা আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ ও ব্যবহারের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। আগ্নেয়াস্ত্র আইনে পরিবর্তন ছাড়া এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত কোনো সফলতার আশা না করলেও বাইডেন এ নিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছুক নন। যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীলরা আগ্নেয়াস্ত্র আইনের ব্যাপারে খুবই স্পর্শকাতর। রিপাবলিকান দলের অধিকাংশ আইনপ্রণেতা বলে আসছেন, সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুযায়ী নাগরিকদের অস্ত্র রাখার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর হস্তক্ষেপ নাগরিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল। সম্প্রতি কলোরাডো ও জর্জিয়ায় সহিংস ঘটনার পর বাইডেন সাধারণ বিচার-বিবেচনা অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। বাইডেন বলেন, তিনি এ নিয়ে আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট করতে ইচ্ছুক নন। সাধারণ পদক্ষেপের মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে প্রাণহানি কমানোর কথা বলেছেন তিনি। এদিকে, ফিলিস্তিনে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি সহায়তা প্যাকেজের পরিকল্পনা করছে হোয়াইট হাউস। গত বুধবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা, লেবানন ও জর্ডানের প্রায় ৫৭ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থীর স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসহ অন্যান্য মৌলিক পরিষেবা সরবরাহে সহায়তা করে থাকে ইউএনআরডব্লিউএ। শরণার্থীদের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের বন্ধ করে দেওয়া তহবিল পুনরায় চালুর বাইডেন প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সংস্থাটি।

মন্তব্য করুন