ফিলিপাইন সীমান্তের কাছাকাছি চীনের যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি ও তাইওয়ানের আকাশসীমায় চীনের যুদ্ধবিমান প্রবেশের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর চীনের এই আগ্রাসী গতিবিধির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। এর আগে ফিলিপাইন ও তাইওয়ান চীনের এ ধরনের আচরণকে আগ্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। খবর আলজাজিরার।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস সাংবাদিকদের বলেন, ফিলিপাইনের সশস্ত্র বাহিনী বা সরকারি জাহাজের ওপর আক্রমণ, দক্ষিণ চীন সাগরসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চীনা যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতির বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইনের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় আমরা সম্মিলিতভাবে চীনের এই আগ্রাসী তৎপরতারতার জবাব দেব।

গত ৭ মার্চ চীনের দুই শতাধিক জাহাজ ফিলিপাইনের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের ২০০ মাইলের কাছে পালাওয়ান দ্বীপের কাছাকাছি চিহ্নিত করা হয়। এরপর দক্ষিণ চীন সাগরজুড়ে চীনের ওই জাহাজগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে।

এরপর সপ্তাহজুড়ে ম্যানিলা বেইজিংয়ের প্রতি সমুদ্রে অবৈধ তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানায়। ফিলিপাইন জানায়, তাদের বিশেষ ইকোনমিক জোন এলাকায় চীনের আক্রমণ হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের রায় অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। এর আগে তাইওয়ানের আকাশসীমায় চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ও মহড়ার ঘটনায় যুদ্ধের হুঙ্কার দিয়েছিলেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ। চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, চীনের শক্তিমত্তা জানান দেওয়ার আচরণ যুক্তরাষ্ট্রকে বারবার উদ্বিগ্ন করছে। তাইওয়ানের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার একেবারেই নিরেট। এর পরই গত বুধবার তাইওয়ান প্রণালিতে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জন সেন্ট ম্যাককেইন নিয়মিত ট্রানজিট পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মন্তব্য করুন