যুক্তরাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ঢেউ। এর মধ্যেই অধিকাংশ বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে দেশটির সরকার। গতকাল সোমবার মধ্যরাত থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর রাজধানী লন্ডনের অনেক তরুণ বাসিন্দা বিধিনিষেধমুক্ত একটি লাইভ সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নেন। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সবার প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। খবর রয়টার্সের।

কতজন মানুষ একসঙ্গে দেখা করতে পারবেন বা কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন, সে-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ এখন আর থাকছে না। নৈশক্লাব খুলতেও থাকছে না বাধা। কিছু কিছু জায়গায় মাস্ক পরতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

কভিড-১৯ মহামারিতে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে থাকা দেশগুলোর একটি ব্রিটেন। দেশটিতে সংক্রমণের নতুন ঢেউ শুরু হলেও বরিস জনসন ইংল্যান্ডে অধিকাংশ বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন, যাকে কিছু লোক 'স্বাধীনতা দিবস' বলে অভিহিত করছে। সারাবিশ্বে করোনার ডেলটা ধরনের সংক্রমণ বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য সরকারের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সমালোচনা করছেন। বর্তমানে দেশটিতে দৈনিক প্রায় ৫০ হাজার মানুষ করোনায় সংক্রমিত হচ্ছেন। গ্রীষ্ফ্মেও শেষ দিকে দৈনিক সংক্রমণ বেড়ে দুই লাখে পৌঁছাতে পারে বলে কিছু বিজ্ঞানী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য করুন