খুব ক্ষুধা লেগেছে তোমার। বসে বসে খাচ্ছিলে কিছু। এমন সময় ফুরফুরে প্রজাপতিকে উড়ে যেতে দেখলে তুমি নিশ্চয়ই আনন্দে হাততালি দিয়ে ওঠো? তুমি কি জানো, কেমন করে প্রজাপতি নেয় খাবারের স্বাদ? খাওয়ার আগে ওরা বসে যায় খাবারের ওপর। কারণ মানুষের যেমন স্বাদগ্রন্থিগুলো জিহ্বায় থাকে, তেমনি ওদের থাকে পায়ে।

না ঘুরে যদি পেছনের কোনোকিছু দেখতে চাও, তুমি নিশ্চয়ই ঝটপট করে ঘুরিয়ে ফেলো ঘাড়? জানো, তুলতুলে প্রাণী খরগোশ ও আদুরে পাখি টিয়া ঘাড় না বাঁকিয়ে পেছনটা দেখতে পায়!

সা গরে থাকা প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শুনতে পায় তিমি-হাঙর। নিজের অবস্থান থেকে ৫০০ মিটার দূরে সামুদ্রিক মাছের লেজ নাড়ানোও শুনতে পায় তারা!

মাঝেমধ্যেই তো হাঁচি পায় আমাদের, তাই না? ভেবে দেখেছো, হাঁচি দেওয়ার সময় আপনাআপনিই চোখ দু'টো কেমন বন্ধ হয়ে যায়! চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেওয়ার চেষ্টা করে দেখো তো। অসম্ভব, পারবে না।

গ ভীর সমুদ্রে শক্তিশালী আরেক হাঙরের দেখা মিলে, যাদের শরীর সাদা মেঘের মতো। এরা এতোই শক্তিশালী, ঘণ্টায় ত্রিশ কিলোমিটার পর্যন্ত সাঁতরে যেতে পারে। ভাবা যায়!

জন্মের পর থেকেই হাঙরছানা নিজের যত্ন-আত্তি নিতে শিখে যায়। মা কুকুরের মতো মা হাঙরও ছানাকে শিকারের নানা কৌশল শেখায়।

মাংস না খেলে শরীরের তাপমাত্রা ঠিকঠাক রাখতে পারে না হাঙর। এই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য তারা মাংসের পেছনে ছোটে।

মন্তব্য করুন