কালের খেয়া

কালের খেয়া


আমাদের বন্ধু কায়েস

প্রচ্ছদ

প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০১৯      

শেখ আবদুল হাকিম

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধু কায়েসকে হুমকি দিয়ে আসছে, তার বিশেষ কিছু কীর্তিকলাপের জন্যে। আর এখন সে খুব বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে, আর তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাকে ঝোলাব। কায়েস তর্ক শুরু করল। এর কোনো মানে নেই যে শুধু বাড়াবাড়ি করে ফেলার জন্যে (বাড়াবাড়ি করার ব্যাপারটা অস্বীকার করছে না) তাকে ঝোলানোর মতো সাজা পেতে হবে। বাড়াবাড়ি করে ফেলাটা এমন একটা বিষয়, সে যুক্তি দেখাল, সবাই কখনো না কখনো করে ফেলে। তার এই তর্কে আমরা বিশেষ কান দিইনি। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ঝোলানোর সময় সে তার প্রিয় কোনো গান শুনতে চায় কি-না। উত্তরে সে বলল, এটা নিয়ে ভাবতে তাকে খানিকটা সময় দিতে হবে। আমি তাকে বললাম, তার সিদ্ধান্ত শিগগির জানাতে হবে আমাদের। কারণ নির্মাণ শেখ, যে একজন সংগীত পরিচালক, তাকে তো মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিহার্সেলের ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ গানটা কী হবে তা না জানা পর্যন্ত নির্মাণ তার কাজ শুরু করতে পারবে না। কায়েস বলার চেষ্টা করল, সে চিরকাল বিটোফেন আর মোৎসার্ট সিম্ম্ফনির ভক্ত। তাকে থামিয়ে দিয়ে নির্মাণ বলল, এটা আসলে তার 'সময় ক্ষেপণের কৌশল'। কারণ সবাই জানে, ওদের সিম্ম্ফনি শোনাতে হলে শুধু রিহার্সেলেই ব্যয় হবে কয়েক সপ্তাহ; তা ছাড়া, অর্কেস্ট্রা আর কোরাসের আকার মিউজিকের জন্যে বরাদ্দ করা বাজেটকে ছাড়িয়ে যাবে। 'যুক্তির মধ্যে থাকো,' কায়েসকে বলল নির্মাণ। কায়েস তখন বলল, বেশ, আরও সহজ কিছুর কথা ভাববে সে।

নির্মাণ আমন্ত্রণ-পত্রের শব্দচয়ন নিয়ে চিন্তিত। একটা যদি কোনোভাবে কর্তৃপক্ষের হাতে পড়ে যায় তখন কী হবে? কায়েসকে ঝোলানো নিঃসন্দেহে আইনবিরুদ্ধ কাজ, এবং কর্তৃপক্ষ যদি আগেভাগে প্ল্যানটা কী জেনে ফেলে, তারা তো ফোর্স নিয়ে ছুটে আসবে; ভণ্ডুল করে দেবে সব। আমি বললাম, যদিও কায়েসকে ঝোলানো প্রায় নিশ্চিতভাবে বলা যায় একটা আইনবিরুদ্ধ কাজ, তারপরও কাজটা করার নৈতিক অধিকার আমাদের আছে। কারণ কায়েস হলো আমাদের বন্ধু, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বোধ আর অনুভূতিও বলছে যে সে আমাদের ভারি আপন। তার ওপর আমাদের দখলদারিত্ব জারি আছে, এবং এতেও বিন্দুমাত্র সন্দেহের এতটুকু অবকাশ নেই যে সে সত্যি খুব বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। আমরা একমত হলাম আমন্ত্রণপত্রে ভাষার ব্যবহার এমন হওয়া চাই, যাতে আমন্ত্রিত ব্যক্তি জানতে না পারেন কী উপলক্ষে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম উপলক্ষ সম্পর্কে বলা হবে- 'জনাব কায়েস আলমাসের বিদায় সম্বর্ধনা'। ক্যাটালগ থেকে বেশ সুন্দর একটা গৎ বেছে নিলাম, পছন্দ করলাম ক্রিম কালারের কাগজ। মন্তাজ বলল, কার্ড ছাপানোর দায়িত্বটা সে নিজে নিচ্ছে, এবং কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইল অনুষ্ঠানে আমরা গলা ভেজানোর কোনো ব্যবস্থা রাখব কি-না। কায়েস বলল, কিছু পান করার আইডিয়াটা ভালোই। কারণ পেটে খানিকটা মদ পড়লে পুরো ব্যাপারটা সে হয়তো ভুলে থাকতে পারবে, তবে খরচ নিয়ে উদ্বিগ্ন সে। নরম সুরে আমরা তাকে বললাম, যত যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই তার প্রিয় বন্ধু, এবং তার প্রিয় বন্ধুদের একটা গ্রুপ যদি ভালো একটা কাজে এক হতে না পারে, হাত খুলে খরচাপাতি করতে না পারে, আরে, দুনিয়াটা তাহলে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে? কায়েস জানতে চাইল, মদের ব্যবস্থা সত্যি যদি করা হয়, তাহলে তাকেও খানিকটা খেতে দেয়া হবে তো, নাকি? আমরা বললাম, 'হ্যাঁ, অবশ্যই।'

এর পরের বিষয় হলো ফাঁসির মঞ্চ। ফাঁসির মঞ্চের ডিজাইন কেমন হয় তা আমাদের কারও জানা নেই। তবে আমাদের আরেক বন্ধু আর্কিটেক্ট লোটন বলল, পুরোনো বই ঘেঁটে দেখবে সে, তারপর একটা স্কেচ আঁকবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যতটুকু সে মনে করতে পারছে, ট্র্যাপডোর যেন একদম নিখুঁত কাজ করে। সে বলল, কাঠমিস্ত্রির মজুরি আর সরঞ্জাম বাবদ রাফ হিসেবে আশি হাজার টাকার মতো খরচ পড়বে। 'গুড গড!' আঁতকে উঠল নির্মাণ। সে জানতে চাইল, লোটন আসলে কী ধরনের কাঠ দিয়ে মঞ্চটা বানাতে চাইছে? সেগুন নয় তো? আরে না, বলল লোটন; আম কাঠ। তানভির বলল, কেরোসিন কাঠ চিনিস? বাক্স ভাঙা কাঠ? ওগুলো দিয়েও মঞ্চ বানানো সম্ভব; খরচ পড়বে বেশ কম।

আমি বললাম, যদিও গোটা ব্যাপারটা সত্যি সত্যি সুন্দর আর মানসম্মত হওয়া চাই, তারপরও মনে করি একটা মঞ্চের জন্যে আশি হাজার টাকা খরচ করা অনেক বেশি হয়ে যায়; ভুলে গেলে চলবে না তার আগে কার্ড ছাপতে হবে, কেরু কোম্পানির গোটা দশেক ঢাউস বোতল আনতে হবে, যন্ত্রীদের সম্মানী দিতে হবে। আরও কত খরচ বেরোবে কে জানে! এ রকম বড় বাজেট অনায়াসে ছোট করে আনা যায়- আমরা একটা গাছ ব্যবহার করছি না কেন? দেখতে সুন্দর একটা আম বা বটগাছ? এখন যেহেতু জুলাই মাস, গাছে গাছে প্রচুর সবুজ পাতা থাকায় ঝোলানোটা হবে পরিবেশবান্ধব, প্রকৃতির ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে। তা ছাড়া, আমাদের দেশের ঐতিহ্যও তাই। লোটন জানতে চাইল, ক্ষুদিরামকে কীভাবে ঝোলানো হয়েছিল? আমি থমকে গেলাম। তার পর জানা গেল, আমি একা না, ক্ষুদিরামকে কীভাবে ঝোলানো হয়েছিল, সেটা আমাদের কারুরই জানা নেই। আমি তখন বললাম, ক্ষুদিরামের সঙ্গে কায়েসের তুলনা চলে না। ওকে আমরা গাছে ঝোলাতেই পারি।

লোটন বলল, 'ইংরেজদের চোখে ক্ষুদিরাম বাড়াবাড়ি করেছেন, আর আমাদের চোখে কায়েস বাড়াবাড়ি করেছে, পার্থক্য কোথায়?'

'পার্থক্য অন্যায় আর কদর্যতার সঙ্গে মহত্ত্বের ...'

আমাকে থামিয়ে দিয়ে কায়েস বলল, 'তোরা কী রে! এতটা নিচে নামতে পারলি! ক্ষুদিরামের সঙ্গে আমার তুলনা করে বসলি!'

একটা এনভেলাপের পেছনে এখনও মঞ্চের স্কেচ আঁকার চেষ্টা করছে লোটন, কাজ থেকে মাথা না তুলেই আমাদের মনে করিয়ে দিল, বাইরে ঝোলালে বৃষ্টির হুমকি থাকবে।

নির্মাণ বলল, কাজটা বাইরে সারার আইডিয়া তার ভালো লাগছে। ভালো হয় যদি কোনো নদীর কিনারায় হয়, আবার মনে রাখতে বলল, জায়গাটা যেন শহর থেকে বেশ খানিকটা দূরে হয়। তাতে আরেক ধরনের সমস্যার কথা উঠল। অতিথি আর মিউজিশিয়ানদের সেখানে আনা-নেওয়ার ব্যাপার আছে, গাড়ি লাগবে। খরচ দেখা গেল ধা-ধা করে শুধু বাড়ছেই।

এই পর্যায়ে সবাই চোখ ঘুরিয়ে সাদুল্লার দিকে তাকাল, যেহেতু বেশ বড়সড় একটা প্রাইভেট কার এবং ট্রাকের রেন্টাল বিজনেস দেখাশোনা করে সে। সাদুল্লা বলল, ওদিকটার দেখার দায়িত্ব তার ওপর ছেড়ে দেয়া যেতে পারে। যে ক'টা গাড়িই লাগুক না; সব সে ম্যানেজ করতে পারবে, তবে ড্রাইভারদের পে করতে হবে। তারা কেউ মনে করিয়ে দিল- সে, কায়েসের বন্ধু নয়। কাজেই এটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের সার্ভিসের বদলে টাকা নেবে না; যা কিনা মিউজিশিয়ানদের বেলায়ও সত্যি। সাদুল্লার নিজের দশটা গাড়ি আছে, সেগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার কাজেই ব্যবহার করা হয়। ও রকম আরও এক ডজন গাড়ি সহ-ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ম্যানেজ করতে পারবে। তবে, সে জানাল, কাজটা যদি খোলা জায়গায় সারা হয় তাহলে তাঁবু বা ওই জাতের কিছু আবরণ লাগবে, বৃষ্টি হলে যাতে অন্ত্মত বাদ্যযন্ত্রগুলো না ভেজে। আর গাছ নাকি মঞ্চ, এই দুটোর মধ্যে তার নিজের কোনো বিশেষ পছন্দ নেই, সে মনে করে এটা এমন একটা বিষয় যে সিদ্ধান্ত্ম নেয়ার অধিকার একা শুধু কায়েসের থাকা উচিত, যেহেতু এটা তাকে ঝোলানোর ব্যাপার। কায়েস বলল যে মাঝেমধ্যে বাড়াবাড়ি কে না করে বলো, তোমরা আমার বন্ধু হয়ে কি আমার সঙ্গে এটা একটু দানবিক আচরণ করে ফেলছ না? নির্মাণ শেখ বেশ তীক্ষ্ন গলায় বলল এসব নিয়ে আগেই আলোচনা হয়ে গেছে, কায়েস এখন বলুক কি চায় সে, মঞ্চ না গাছ? কায়েস জানতে চাইল সে কি ফায়ারিং স্কোয়াড পেতে পারে? না, নির্মাণ জবাব দিল, তা তো সে পেতে পারেই না, এবং বোকার মতো এরকম মামার বাড়ি টাইপের আবদারও তার করা উচিত নয়। কায়েস জানাল তাকে ভুল বোঝা হচ্ছে; এবং মঞ্চ নয়, গাছই তার পছন্দ। স্কেচ আঁকা কাগজটা দুমড়েমুচড়ে দলা পাকিয়ে ছুড়ে ফেলে দিল লোটন।

তারপর উঠে এল জল্লাদের প্রশ্ন। তাহসিন জানতে চাইল আমাদের আসলেই কি একজন জল্লাদ দরকার? কারণ আমরা যদি একটা গাছ ব্যবহার করি, ফাঁসটাকে যথাযথ লেভেলে অ্যাডজাস্ট করা সম্ভব, আর কায়েস একটা কিছু থেকে স্রেফ লাফ দিলেই হবে।সেটা চেয়ার, টুল বা ওরকম কিছু একটা হলেই হলো। তা ছাড়া তাহসিন বলল, মহীয়সী নারী হাসিনার আমলে মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ হয়ে যাবার পর পেশাদার জল্লাদ খুঁজে পাওয়াটাও সহজ কাজ হবে না। কী করে জানব তার হাত পাকা কি-না? কাজটা যদি সে লেজেগোবরে করে ফেলে, লোকজনের সামনে আমাদের সবাইকে ভারি বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হবে। আমরা সবাই একমত হলাম যে কায়েস কিছু একটা থেকে লাফ দেবে, তবে সেটা চেয়ার নয়। কারণ আমরা অনুভব করলাম সুন্দর গাছতলায় ফেলা একটা চেয়ার থেকে লাফ দেয়াটা অসম্ভব সস্টত্মা আর অপমানকর বলে মনে হবে, তাতে কায়েসের প্রতি আমাদের তাচ্ছিল্যও প্রকাশ পাবে। লোটন, সে বেশ আধুনিক, নতুন কিছুর প্রতি তার প্রবল আগ্রহ। প্রস্তাব রাখল কায়েস বড়সড় একটা রাবারের বলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে, ডায়ামিটারে সেটা দশ ফুটের কম হবে না। এটা থেকে, সে বলল, যথেষ্ট 'ড্রপ' পাওয়া যাবে, এবং শুধু তাই নয়, বলটা গড়িয়ে নাগালের বাইরে সরে যাবে, ফলে কায়েস যদি লাফ দেয়ার পর আচমকা নিজের সিদ্ধান্ত বদল করে, ওই বল তাকে কোনো সাহায্য করবে না। সে আমাদের স্মরণ করিয়ে দিল, একজন পেশাদার জল্লাদ ব্যবহার না করায় কাজটা সুন্দর করে সম্পন্ন করার দায়িত্বের সবটুকু আমরা কায়েসের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি, এবং যদিও সে নিশ্চিত যে কায়েস কৃতিত্বের সঙ্গেই সব দায়িত্ব পালন করবে, একেবারে শেষ মুহূর্তে সে তার বন্ধুদের অবশ্যই অসম্মান করবে না। তারপরও এ রকম চরম পরিস্থিতিতে অনেক মানুষকে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে দেখা গেছে। তাই দশ ফুটি একটা রাবারের বল এ ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান।

রশি, না তার? দলে আছে, অথচ বক্তব্য রাখবে না, তা কি কখনো হয়? প্রশ্নটা আপেল মিয়ার, উনিশ নম্বর মদন পাল লেনের বাড়িটা জবরদখল করে বাণিজ্যিক ভবন বানিয়ে বেচে দিচ্ছে- না, নিজে মাস্তান না, তবে রাজাকার-সংশ্নিষ্ট রাজনৈতিক দলের মাস্তানদের সঙ্গে গাঢ় বন্ধুত্ব আছে। পুরো সময় চুপ করে থেকে হঠাৎ মুখ খুলল। বলল, সে ভাবছে ফাঁসির কাজে সাধারণত রশি ব্যবহার করা হলেও, রশির পরিবর্তে তার ব্যবহার করা উচিত হবে কিনা। কারণ তার জিনিসটা অনেক বেশি কার্যকর এবং শেষ মুহূর্তে কায়েসের কষ্টটা সম্ভবত দ্রুত সমাপ্ত হবে।

এই প্রথম কায়েসকে খানিকটা সবুজাভ দেখাল। সে জন্যে তাকে আমি দোষ দিই না। কারণ রশির বদলে তারের সঙ্গে ঝোলানোর চিন্তাটাই চরম অরুচিকর একটা ব্যাপার। ভাবতে গেলে আপনার গা রি-রি করবে। কাজেই তাড়াতাড়ি বললাম, তার ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠে না। কারণ তাতে গাছটা জখম হবে। পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর এই যুগে সেটা আমরা কেউ চাই না। কায়েস আমার দিকে একবার সকৃতজ্ঞ দৃষ্টিতে তাকাল, তারই সঙ্গে ভেঙে গেল মিটিং। সবকিছু অত্যন্ত সুন্দর আর সুচারুভাবে ঘটল (কায়েস শেষ পর্যন্ত গান বাদ দিয়ে রবিঠাকুরের 'যেতে নাহি দিব' আবৃত্তিতে সম্মতি জানিয়েছিলো, সেটা নির্মাণ শেখ আর তার দল বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে, যথেষ্ট আবেগময় সুরে আবৃত্তি করল)। আকাশে খানিক মেঘ করলেও, বৃষ্টি নামেনি। দশ ফুটি রাবারের বলটাকে সবুজ রং করা হয়েছিল, সঙ্গে গ্রামীণ দৃশ্য- নদী, চিল, জেলে ইত্যাদি। গোটা ব্যাপারটার মধ্যে দুটো জিনিস আমার মনে থাকবে। তার একটা হলো কায়েস আমার দিকে যেভাবে সকৃতজ্ঞ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো, যখন আমি তারের বদলে রশির পক্ষে কথা বলছিলাম, আর দ্বিতীয় বিষয়টা হলো এই বাস্তবতা যে, আমাদের মধ্যে আর কেউ কখনো বাড়াবাড়ি করেনি।

বিদেশি কাহিনী অবলম্বনে