ওখানে ধূসর বসে আছো কে হে
অনার্য রোদের পাড়া থেকে দূরত্বে অনেক?
মুখচুন, মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ব্যক্তিখোঁড়া দেহে!
ভেক
স্বপ্নের আকাশ বুঝি ভেঙে গেছে বেগানা তাণ্ডবে
মনে হয় চিনি, দেখেছি কোথাও তোমাকে যে কবে!

তুমি তো সেই, যে নাকি ঋণ
করে কিনেছিলে দুর্মূল্য ঘি আর জ্বেলেছো মোমের বাতি
মনের হরষে আলো ভরা দিনে! সোনার হরিণ
হাতে পাবে বলে অলৌকিক নভোযানে অরাতি
উৎসবে উড়ে গেছো উচ্চাশার মেঘে; বিকারি চোহেলে
মনপ্রাণ ঢেলে
হারিয়েছো অমূল্য সময়
হারিয়েছো নিজস্ব হীরক;
আজ সেই ফেলে আসা ক্ষয়
আর অলীক মাছের লোভে লোভাতুর ভালুকের নখ
ফিরে এসে ঘিরেছে তোমাকে, অবসন্ন বিকেলের বাঁক
শ্রাবণের শেষে ম্লান আকাশের তলে একান্ত নিরাক!

কী পেলে জাঁকাল-বলয় আয়োজিত মোহের উৎসবে
এই চিতার আগুনে নেমে
উতরে যেতে কে পেরেছে কবে
ভোগের বাঁদির সংখ্যা দিন দিন বেড়েছে হেরেমে!

আজও তুমি উড়ছো আকাশে, যদিও বিরূপ পাখা
ঝরে পড়ে পালক উড়ালখসা
অর্জন করেছো যা, তা জানি; ঔদ্ধত্যের হলুদ আংরাখা,
ব্যক্তিক মশারি আর তাতে ঢুকে পড়া ক'টি রক্তপায়ী মশা!

মন্তব্য করুন