একাত্তরের মার্চের আগে থেকেই পূর্ব বাংলা উত্তাল হয়ে উঠেছিল। ১ মার্চ ঢাকা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান বনাম বিশ্ব একাদশের ক্রিকেট খেলা থেকে দর্শক রাজপথে নেমে আসে। বিশ্ববিদ্যালয় অফিস-আদালত থেকে সর্বসাধারণ সভা ও মিছিলে রাজপথ প্রকম্পিত করে। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর পরবর্তী নির্দেশের। সেদিন বঙ্গবন্ধু পূর্বাণী হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ পুরো পাকিস্তানে হরতাল পালন করা হবে। ৬ মার্চ থেকে প্রতিদিন আধা বেলা হরতাল। আর ৭ মার্চ তো ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে ঘোষণা দিলেন অসহযোগ আন্দোলনের। ভাষণে তিনি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার কথা বলেছেন এবং সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন- এটি স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা। দেশের দল ও মত নির্বিশেষে এমনকি নির্দলীয় মানুষ তখন বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি নির্দেশে সাড়া দিয়েছিল। প্রত্যেক ছাত্র থেকে শ্রমিক, সরকারি থেকে বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তখন রাজপথে। আমি লক্ষ্য করেছি শত শত মিছিল প্রতিদিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে যেত। আর বঙ্গবন্ধু তার বাসভবনের দোতলার বারান্দা থেকে হাত নাড়তেন, আবার কখনও নির্দেশে দিতেন।

দেশবাসী যে তখনই শাসনক্ষমতা বঙ্গবন্ধুর হাতে ন্যস্ত করেছিল, তার দুটি নিদর্শন দেওয়া যেতে পারে। প্রথমত, ২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর এসএম আহসানকে সরিয়ে লে. জেনারেল সাহেবজাদা ইয়াকুব আলী খানকে গভর্নর নিযুক্ত করে পাকিস্তান সরকার। একইভাবে ৭ মার্চ বেলুচিস্তানের কসাই নামে পরিচিত মেজর জেনারেল টিক্কা খানকে পূর্ব বাংলার গভর্নর নিযুক্ত করা হয়। কিন্তু তৎকালীন প্রধান বিচারপতি বিএ সিদ্দিকী তাকে শপথ গ্রহণ করাতে সম্মত হননি।

পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাদের জবানিতে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ারকে রাত সাড়ে ১১টার সময় বঙ্গবন্ধুকে তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেনা কর্মকর্তারা এতটাই বিচলিত ছিল যে, ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন। এ ছাড়া জুলফিকার আলী ভুট্টোও পরদিন সকালে ঢাকা ত্যাগ করেন। ভুট্টো করাচি বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের বলেন, 'আল্লাহতায়ালা পাকিস্তানকে রক্ষা করেছেন।' বস্তুত, নির্বাচনের রায় অস্বীকার, নিষ্ঠুর গণহত্যা এবং সেনাবাহিনীর অনৈতিক কার্যকলাপ এবং অন্যদিকে মুক্তিবাহিনী ও অবরুদ্ধ বাংলাদেশের জনগণের অসীম সাহস ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের আবির্ভাব হয়েছে।

ছাব্বিশে মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালে পঁচিশে মার্চের মধ্যরাতে ঢাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই রাতেই গড়ে ওঠে প্রতিরোধ, শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। বাঙালির ওপর 'অপারেশন সার্চলাইট' নামের ওই নিধনযজ্ঞের পরিকল্পনা হয়েছিল একাত্তরের মার্চের শুরুতেই, জুলফিকার আলী ভুট্টোর বাড়ি পাকিস্তানের লারকানায়। শিকারের নামে এই গণহত্যার ষড়যন্ত্রে যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে জুলফিকার আলী ভুট্টো, জেনারেল ইয়াহিয়া এবং জেনারেল হামিদ অন্যতম। পঁচিশে মার্চ রাতে ইয়াহিয়া ঢাকা ত্যাগের পর পাকিস্তান পৌঁছানোর আগেই ঢাকায় গণহত্যা শুরু হয়। আর সেই রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় বাঙালির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে।

পঁচিশে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট'-এর নামে একযোগে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ঢাকায় তখনকার ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে। তারা গোলা নিক্ষেপ করে মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে, হামলা চালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বস্তি এলাকায়। ইতিহাসের এই নির্মম নিধনযজ্ঞ রাতেই ছড়িয়ে পড়ে পুরো শহরে। ঘুমন্ত মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হায়েনারা। সেই রাতেই রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স থেকে প্রতিরোধ শুরু হয়। ইপিআর সদস্যরাও প্রতিরোধের চেষ্টা করে জীবন দেন। বিকেলবেলা মিছিল করে ৩২ নম্বর থেকে ফেরার পর ইকবাল হল বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভায় যোগ দিয়ে জানতে পারি যে, পঁচিশে মার্চ রাতে ছাত্রদের ওপর আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। সুতরাং নয়া পল্টনের বাসায় ফিরে আসি। রাত ১২টা বাজার পরপরই পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বিভিন্ন রাস্তার ব্যারিকেড সরিয়ে ছাত্রাবাস, শিক্ষকদের বাসস্থান এবং বস্তিগুলোর ওপর আক্রমণ শুরু করে। আমার বাসার পশ্চিমে কয়েকটি দোকানের পরে বেশ বড় বস্তি ছিল। পাকিস্তানি বাহিনী প্রেশার বুলেট জ্বালিয়ে এলাকাটি আলোকিত করে। এবং পরে মর্টার সেল দিয়ে আর কামান দেগে সব ভস্মীভূত করে। ফলে শত শত বস্তিবাসী নিহত হয়। আমার বাসার উত্তর দিকে দুটি রাস্তার পরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স। তারাই প্রথমে প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলে। প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের আওয়াজ পাওয়া যায় তখন। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের উল্টো দিকে শহীদ আলতাফ মাহমুদ ও সদ্য প্রয়াত আলী যাকেরের বাসা। আলী যাকের পরে জানান, ভোররাতে বেশকিছু পুলিশ সদস্য সম্পূর্ণ উলঙ্গ অবস্থায় তার বাসায় আশ্রয় নেয়। তিনি তাদের পোশাক দেন এবং চিকিৎসার জন্য পাশে ডাক্তারদের বাসায় প্রেরণ করেন। এই ভয়াবহ সম্পূর্ণ রাতটি আমাদের পুরো পরিবার আতঙ্কিত ও যে কোনো সময় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে সিঁড়ি ঘরে কাটিয়ে দিলাম। ২৬ মার্চ দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল চারদিকে।

মুক্তিযুদ্ধ একটি বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞ। তার মধ্যে কূটনীতির বিষয়টি ছিল গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। কূটনীতির মাধ্যমে আমাদের কয়েকজনকে পার্টির নির্দেশনা অনুসারে প্রবাসী সরকারের সঙ্গে থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নসহ সমাজতান্ত্রিক কয়েকটি দেশ সফর করে গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজ দেওয়া হয়।

২.

১৯৭১-এ পৃথিবী দুই পরাশক্তির বলয়ে বিভক্তি ছিল। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব। অন্যদিকে সোভিয়েতের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো। এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিক্সন সরকার চীনের সঙ্গে সমঝোতা নীতির কারণে গণহত্যার বিরোধিতা থেকে বিরত থাকে এবং পাকিস্তানের সামরিক সরকারকে সমর্থন জোগায়। সুতরাং সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের সমর্থন ছাড়া ভারত বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়া কঠিন হতো। সেজন্য মে মাসের দিকে খবর আসে প্রবাসী সরকার সোভিয়েত ইউনিয়নসহ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপন করে গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তখন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সম্মেলনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুস সামাদ আজাদকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল চূড়ান্ত করা হয়। অন্য দুই সদস্য ন্যাপের যুগ্ম সম্পাদক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দেওয়ান মাহবুব আলী ও আমি। দেশের ইতিহাসে এটা ছিল প্রথম সরকারি প্রতিনিধি দল। নানা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে বিমানে আমরা মস্কো হয়ে হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট শহরে পৌঁছাই। শহরের নাম অনুসারে সম্মেলনটি 'বুদাপেস্ট সম্মেলন' নামেই পরিচিত। বিশ্ব শান্তি পরিষদের এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় এক হাজার প্রতিনিধি যোগ দেন। সম্মেলনে মূল বক্তব্যে বিশ্ব শান্তি পরিষদের মহাসচিব রমেশ চন্দ্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে পাকিস্তান সরকারের গণহত্যার তীব্র সমালোচনা করেন। ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতা কৃষ্ণ মেনন পাকিস্তান সরকারের গণহত্যার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানান। এরপর প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে দুটি পৃথক অধিবেশনে আবদুস সামাদ আজাদ ও আমি পাকিস্তান সরকারের গণহত্যার ভয়াবহতা এবং স্বাধীনতার পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরে তাদের সমর্থন প্রত্যাশা করেছিলাম। সম্মেলনের বিরতিতে আমরা সদস্যরা তিন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে জনমত গঠনের চেষ্টা চালাই। পশ্চিম ইউরোপের প্রায় সব প্রতিনিধি দল আমাদের যুক্তি মেনে নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল কংগ্রেস, নামিবিয়ার মুক্তি সংগ্রাম ও সাহারা অঞ্চলের শীর্ষ নেতারা আমাদের যথেষ্ট উৎসাহ দেন। আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আলফ্রেড নজো আমাদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অস্ত্র সহযোগিতা চাওয়ার পরামর্শ দেন। ফিরতি পথে আমাদের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হয়। তিনি জানান যে, ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে একটি আলোচনা চলছে। তিনি এ-ও জানান, আমাদের প্রতিনিধিদের অবস্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছাড়া এই সমস্যার কোনো সমাধান নেই। এই বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ার ফলে ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি সম্পাদনে গতি লাভ করে।

এটা স্বীকৃত এবং সবাই অবগত যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে বাংলাদেশের বিষয়ে জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তিনবার ভেটো না দিলে যুদ্ধের অকালপ্রয়াণ ঘটত। পাশাপাশি মার্কিন সপ্তম নৌবহরকেও সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগর পর্যন্ত তাড়া করেছিল।

নভেম্বরে বর্তমানে কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের নেতৃত্বাধীন একটি ব্যাচের সঙ্গে দেশে প্রবেশ করে বিভিন্ন এলাকা হয়ে মানিকগঞ্জে যুদ্ধরত ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করি। একপর্যায়ে জানতে পারি, পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে মিত্র বাহিনী আক্রমণ পরিচালনা করছে। তখন আমাকে নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত রুহিতপুরে অবস্থানের জন্য বলা হয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলে পরদিন ঢাকায় পৌঁছাই। পথে হাজারো মানুষের উষ্ণ ভালোবাসা পেয়েছি- যেটা সারাজীবনের গর্ব।

বাংলাদেশ আজ সুর্বণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে। এ সময়ে হৃদয় আশা ও নিরাশার দোলাচলে আবর্তিত হচ্ছে। যে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের হেনরি কিসিঞ্জার 'তলাবিহীন ঝুড়ি' আখ্যায়িত করেছিল, সেই দেশ অর্ধশত বর্ষে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে; সামাজিক সূচকেও উন্নতি করেছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ ঘাটতির দেশ থেকে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত দেশে উত্তরণ, জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ এবং সবশেষে করোনা সংক্রমণ রোধে সাফল্য আমাদের মধ্যে আশাবাদ জাগ্রত করে। অন্যদিকে সর্বস্তরের দুর্নীতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার, রাজনৈতিক অসহিষুষ্ণতা, ধনবৈষম্য এবং মুক্তচিন্তার ক্ষেত্রে সংকোচন আমাদের নৈরাশ্যবাদী করে তুলেছে।

আমার একান্ত প্রত্যাশা, রাষ্ট্র ও সমাজ এই সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা অতিক্রম করবে। এক্ষেত্রে ভরসার জায়গাটি বাংলাদেশের তরুণ সমাজ। তারাই বাংলাদেশের অগ্রগতির চালিকাশক্তি, তারা তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে। আমার প্রত্যাশা, তারা যে আধুনিক বাংলাদেশ গড়বে সেখানে সাম্প্রদায়িকতার স্থান থাকবে না, মুক্তচিন্তা বিকশিত হবে।

মন্তব্য করুন