কোনো কোনো প্রহর প্রগাঢ় হয়ে ওঠে অনুভবের জ্যোৎস্নায়
আশ্বিনের তৃতীয়া তিথির চাঁদ আলোছায়া জলে নেমে আসে সাম্পান হয়ে

তোমার পায়ের ছাপ
কখনো হঠাৎ চঞ্চল লাল লাল কাঁকড়ার খোঁজে
কোমল সৈকতে
শারীরিক গন্ধে দক্ষিণের বাতাস বাঙ্‌ময়
জল টানে জলের গানে

এখানে সকাল উঁকি দেয় পাতাদের সংসারে
সোনালি ডাবের গুচ্ছ রোদের হাত ধরে পরিণত হতে থাকে
কবোষ্ণ কফির মগ হেঁটে যায় ঝুলবারান্দায়
ঝকমকে প্রতিবেশে চুলখোলা প্রসন্নতা
মধুগন্ধে পরিতৃপ্ত ঘুমভাঙা তৃষ্ণা

আশ্বিনের আকাশে মেঘপুঞ্জ রচনা করে কাশবন
যে আমাকে হরণ করে
আমি তার ঝাউবনে মর্মর ধ্বনি হয়ে বাজি

মন্তব্য করুন