মঞ্চের বাইরে

মঞ্চের বাইরে

বিশ্বাস নেই?

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৪

চলি্লশ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ডিভোর্স হতে পারে এটা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। অথচ আমার এক আত্মীয়ের ক্ষেত্রে ঘটনাটি ঘটেছে। স্বামীর বয়স ৬৪, স্ত্রীর ৬২। পারিবারিকভাবেই তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে সুখের সংসারই ছিল তাদের। স্বামী ভদ্রলোকটি সরকারের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। বছর চারেক আগে অবসর নেওয়ার পর একটি ধর্মীয়, সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে আছেন। ছেলে-মেয়েরাও সরকারি, বেসরকারি ভালো চাকরিতে কর্মরত। স্ত্রী ভদ্রমহিলা নামী বাবার সন্তান। ইচ্ছা ছিল চাকরি করার কিন্তু স্বামীর ইচ্ছাতেই সংসারের গণ্ডিতে জীবন সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন। বিষ্ময়কর হচ্ছে বছরখানেক হলো ভদ্রলোক স্বামী, স্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনেন। স্ত্রী কখনই তার কথা শোনেননি, এখন তাকে পরোয়া করেন না, রাগী ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই থেকে প্রতিষ্ঠানের একটি বাসায় থাকা শুরু করেন ভদ্রলোক। আর স্ত্রী বাবার দেওয়া ফ্ল্যাটে । সম্প্রতি ভদ্রলোকটি স্ত্রীকে ডিভোর্স লেটার পাঠান এবং তার থেকে অর্ধবয়সী এক মেয়েকে বিয়ে করেন। বিষয়টি আমাকে শুধু না আমার মত অনেককে ভীষণভাবে আহত করেছে। আমার মধ্যে একটা আতঙ্ক ভর করেছে , শেষ বয়সে এসেও কি তাহলে পুরুষকে বিশ্বাস করা যায় না? সুমাইয়া হক, ঢাকা