সম্প্রতি প্রকাশিত ৩৪তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) মেধা তালিকায় সেরা স্থান দখল করেছেন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ছেলে এম ওয়ালিদ বিন কাশেম। অথচ প্রথমবার ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাসই করতে পারেননি তিনি। তাদের চমকিয়ে দেয়ার জন্য এক ওয়ালিদই যথেষ্ট। বলছি ৩৪তম বিসিএসের মেধা তালিকায় সবার সেরা হওয়া আহ্ছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওয়ালিদ
বিন কাশেমের কথা। নিজের ইচ্ছাশক্তি আর মেধার বলে নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অন্যমাত্রায়।
বিসিএস-এ স্বপ্ন দেখা হাজারো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উৎসাহের খাতায় নিজের নামটি লিখেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় বিসিএসের ইতিহাসে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে প্রথম হওয়ার গৌরবের পুরো অংশটিও তার হাতে। যদিও তার জন্ম গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা। তারপর বাবার চাকরির সুবাদে চলে আসেন ঢাকায়, ভর্তি হন ঢাকার মতিঝিল সরকারি বয়েজ হাইস্কুলে। ২০০৩ সালে সেখান থেকেই বিজ্ঞান বিভাগে অর্জন করে নেন জিপিএ ৫ নামক তকমাটি। তারপর ভর্তি হন স্বপ্নের কলেজ নটর ডেমে। সেখান থেকে ২০০৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও বঞ্চিত হন জিপিএ ৫ থেকে (৪.৭৫)। মেধাবী ওয়ালিদ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা থেকেও ঝরে পড়েন তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালই ছিল তার শেষ ভরসা। হাল ছাড়ার পাত্র নয় সে। পরে ভর্তি হন আহ্ছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করার পর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব রিনেবল এনার্জি বিভাগে। সেখানে সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শেষ করেন অধ্যয়ন, সে সঙ্গে পেয়ে যান জাপানে বৃত্তি। তারপর পাড়ি দেন জাপানে। জাপানে পাড়ি দেওয়ার আগে কাজ করেছেন সার্ক এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের পলিসি মেকিংয়ে। পারিবারিক জীবনে তিনি বিবাহিত। এত কিছুর মাঝেও জীবনের এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করতে ভুলেননি তিনি। পরিবারে দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবচেয়ে ছোট। মা গৃহিণী আর বাবা বিসিএস এডমিন ক্যাডারে সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন, অবসর গ্রহণের আগে ছিলেন অতিরিক্ত সচিব পদে। নিজের এমন কৃতি্বত নিয়ে তিনি বলেন, আমার কখনও প্রথম হওয়ার স্বপ্ন ছিল না। কিন্তু হয়ে গেছি। এ অনুভূতি অন্যরকমের। হ

মন্তব্য করুন