ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

আইডিয়াবাজদের মিলন মেলা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬

জাহিদ খান

বিগত বছরের মতো এবারও 'অ্যাড মেকার বাংলাদেশ-১৬' প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে এনএসইউ ইয়েস ক্লাব। প্রযোজনায় 'রবি' এবং সহ-প্রযোজনায় 'এলিট পেইন্ট'। 'রবি অ্যাড মেকার বাংলাদেশ-২০১৬ এলিট পেইন্ট দ্বারা রঙিন', শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অসাধারণ প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চ, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা বিকাশ এবং চিন্তাভাবনাকে অসাধারণভাবে উপস্থাপন করে। অ্যাড মেকারের পথচলা শুরু হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১০ সালে। সে সময় প্রতিযোগিতাটি শুধু নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। পরের বছরেই এনএসইউ ইয়েস প্রতিযোগিতাটি ছড়িয়ে দেয় বাংলাদেশের সব ইউনিভার্সিটিতে এবং নামকরণ করে 'অ্যাড মেকার বাংলাদেশ'।
২০১৫ সালে অ্যাড মেকিং এই প্রতিযোগিতাটিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়। বিজ্ঞাপন তৈরির পাশাপাশি বিপণন কৌশলও যোগ হয়। এটিএল ও বিটিএল টুলসের সমন্বয় সাধন, বিজ্ঞাপন কৌশল ও বাজেট তৈরিকে নতুন হাতিয়ার হিসেবে সংযোজন করা হয়। এ বছর সৃষ্টিশীলতার এই মহাযুদ্ধ শুরু হয় ৬ মে। ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩২৫টি দল অংশগ্রহণ করে অ্যাড মেকার বাংলাদেশের ওয়ার্কশপে। রবি, স্টারকম বাংলাদেশ। রবি, স্টারকম বাংলাদেশ, এলিট পেইন্ট, এডকমের সুযোগ্য পথ প্রদর্শকরা ওয়ার্কশপে তাদের মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। এড মেকারের প্রথম পর্ব শুরু হয় ১৩ ও দ্বিতীয় পর্ব ২০ মে। প্রতিযোগীরা এ সময় রবি ও এলিট পেইন্টের বিজ্ঞাপন নিয়ে কাজ করে। বিচারকদের সামনে প্রদর্শন করে বিভিন্ন টিভি কমার্শিয়াল, রেডিও কমার্শিয়াল, বিলবোর্ড, ডিজাইন ইত্যাদি। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের আগে সংগঠনটির সম্মানিত ফ্যাকাল্টি অ্যাডভাইজার আবু সাদ শেজানুল হক এবং প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ রাফিউল হাসান একাত্তর টিভি এবং রেডিও ফুর্তিতে সরাসরি যোগ দেন। চূড়ান্ত পর্বে টেন মিনিট স্কুল এবং তমার (টপ অব দি মাইন্ড অ্যায়ারনেস) বিজ্ঞাপন ও প্রসারের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। বিচারকরা প্রতিযোগীদের কর্মপরিকল্পনা ও নতুন চিন্তাধারা এবং বিষয়বস্তুর ওপর বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। এমএ কাশেম, আজিম উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক ড. গৌর গোবিন্দ গোস্বামী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালকবৃন্দ, ছাত্রছাত্রী, ডিন, সহকারী ডিনসহ অন্যরাও উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলেন।
টিম মেরাকি :সৃষ্টিশীলতার এই রণক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের 'টিম মেরাকি' নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে তুমুল করতালির মাধ্যমে বিজয়ী ঘোষিত হয় 'রবি অ্যাড মেকার বাংলাদেশ ২০১৬'-এর।
ব্র্যান্ড এজ : প্রথম রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে আইবিএর দল 'ব্র্যান্ড এজ'।
সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতাজুড়ে তারা নিজেদের যোগ্যতা ও ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে গেছে।
টিম টিম :আইবিএর আরেকটি টিম 'টিম টিম' তাদের প্রতিভা দেখিয়ে প্রতিটি পর্বেই বিজয়ীদের তালিকায় নাম লেখায়।
দি কুকি মন্সটার :বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেসনালসের 'দি কুকি মন্সটার' জিতে নেয় সোশ্যাল মিদিয়া পুরস্কার।
আয়োজনটির চ্যাম্পিয়ন দল জিতে নেয় ১,৫০,০০০ টাকা, একটি এসার ল্যাপটপসহ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ১ম ও ২য় রানার্সআপ ট্রফির সঙ্গে জিতে নেয় ১,০০,০০০ ও ৮০,০০০ টাকা। সোশ্যাল মিডিয়া বিজয়ী দল পায় ৫০,০০০ টাকা।