ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

সম্ভাবনার পথে এক ধাপ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬

কামরুল হাসান

শিল্পীরা হচ্ছে জাতির কারিগর। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রভাবে কারিগরদের উন্নীত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কারিগরদের নিজস্ব পণ্য তৈরি এবং বিক্রি করা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। হস্তনির্মিত কারুশিল্প দেশের ঐতিহ্য বহন করে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। বাংলাদেশ তেমনই একটি দেশ যেখানে রয়েছে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। এখানেও রয়েছে প্রচুর কারুশিল্পী; কিন্তু এসব পেশাজীবী অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় আরও বেশি বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। ওয়াহিদ হোসেন হচ্ছেন একজন তরুণ উদ্যোক্তা, পড়াশোনা করেছেন ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে। যিনি চেয়েছেন দেশের জন্য কিছু করার। আর তাই আকর্ষণীয় পেশা ছেড়ে তিনি হাতে নিয়েছেন ক্ষুদ্র্র প্রকল্পের, যা দেশের কারুশিল্পী এবং হস্তশিল্পীদের জন্য ফলপ্রসূ হয়ে এসেছে। এ প্রকল্প তিনি হার্ভার্ড ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশনসের স্যোশাল ভ্যানচার প্রকল্পে জমা দেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রজেক্ট ফেলোশিপ লাভ করেন, যা বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। ওয়াহিদ হোসেনকে ওয়াটসন ইউনিভার্সিটি, কলোরাডোয় আমন্ত্রণ জানানো হয় তার এই প্রকল্পকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য। তিনি তার প্রকল্প 'টাইগারবো'কে সবার সামনে তুলে ধরেন। এই প্রকল্পে বাংলাদেশের বিভিন্ন হস্তশিল্পী কাজ করে থাকেন। হস্তশিল্পীদের এই কাজ কলোরাডোয় যুবকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ওয়াহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থী যারা রয়েছে তারা হতাশ না হয়ে দেশীয় শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।