ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস


বিসিএস লিখিত পরীক্ষা

যেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯      

সানজিদা ইমু

যেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে

দক্ষতা অর্জনে নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে ৩ ছবি :রাজীব পাল

(গত সংখ্যায় প্রকাশের পর)

নিয়মিত সংবাদপত্র পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সংবাদপত্রের যে টপিকস পড়বেন এবং নোট করবেন, তা নিচে দেওয়া হলো।

ষ সড়ক দুর্ঘটনা, কারণ, চিত্র ও নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং পরিকল্পনা বিশ্ব ও বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ইরান, ফিলিস্তিন, ইসরায়েল, ভারত ইত্যাদি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, ঢাকার যানজট চিত্র, নগরের অবস্থা, দুর্নীতির চিত্র।

ষ পোশাক, চামড়া ও পর্যটনশিল্প।

ষ আইসিটি অবস্থা (মোবাইল ও ইন্টারনেট), পরিবেশবিষয়ক প্রতিবেদন।

ষ নারীবিষয়ক খবর, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা, সমুদ্র অর্থনীতি।

ষ জিডিপি পরিস্থিতি।

ষ গুরুত্বপূর্ণ দিবসের প্রতিপাদ্য।

ষ বিদেশে কর্মী পাঠানোর চিত্র ও প্রবাসী আয়।

ষ মাদক পরিস্থিতি।

ষ রপ্তানি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের চিত্র।

ষ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সম্মেলন ও প্রতিপাদ্য।

ষ চিকিৎসাসেবার বর্তমান চিত্র।

ষ বিশেষ ক্রোড়পত্র (যেমন ৭, ৮, ২৬ মার্চ, ২১ ফেব্রুয়ারি, ৫ জুন)।

ষ সরকারের মেগা প্রকল্পের প্রতিবেদন (যেমন মেট্রোরেল)।

ষ শিশু-কিশোরদের অবস্থা ও প্রতিবেদন এবং নির্যাতন

ষ চলমান সংকট (বিশ্ব ও বাংলাদেশ)।

গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা :

লিখিত পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া যায় গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতায়। এ পরীক্ষায় একটু চেষ্টা করলেই আশি থেকে নব্বই নম্বর পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে ভালো করতে হলে নিয়মিত চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আশার কথা হলো, গণিতের একটা পরিসীমা আছে। ভালো করে চর্চা করলে কমন পড়বে বা কমনসেন্স দিয়ে মিলিয়ে দিয়ে আসা যাবে। আর মানসিক দক্ষতা হলো অনেকটা ৫০ নম্বরের প্রিলির মতো। যে কোনো বিষয় আসতে পারে।

এখানে গাণিতিক যুক্তিতে ৫০ নম্বর বরাদ্দ আছে, যাতে বীজগণিত, পাটিগণিত ও জ্যামিতি তিনটি অংশ থেকেই প্রশ্ন হবে। ৫ নম্বর করে ১০টির উত্তর করতে হতে পারে। আবার কিছু জোড়া ও একক প্রশ্নও থাকতে পারে। সেটি নিয়ে চিন্তা না করলেও চলবে। আর মানসিক দক্ষতায় ৫০টি বিভিন্ন বিষয়ে এমসিকিউর উত্তর করতে হবে। প্রতিটি ভুলের জন্য অর্জিত নম্বর থেকে ০.৫০ নম্বর কাটা যাবে। এটিই লিখিত পরীক্ষার একমাত্র নেগেটিভ মার্কিং।

গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতায় ভালো প্রস্তুতির জন্য কী করা যায়, তা বলা যাক।

ষ বিগত বছরের গণিত ও মানসিক দক্ষতার অংশগুলো খুব ভালো করে শেষ করবেন। এমনকি জ্যামিতিগুলোও। কারণ, গণিত প্রশ্ন রিপিট হতে দেখা গেছে।

ষ নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইয়ের একটা গাইড সংগ্রহ করে নেবেন। অষ্টম শ্রেণির পাটিগণিত অঙ্কগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ষ বর্তমান নবম-দশম শ্রেণির বীজগণিত ও জ্যামিতি বই উদাহরণসহ শেষ করতে হবে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এখান থেকে প্রশ্ন হবেই।

ষ জ্যামিতি অংশের অধ্যায়গুলো ভালো করে পড়বেন। কমপক্ষে ২০টি উপপাদ্য আয়ত্তে রাখবেন।

ষ বাসায় গণিত অনুশীলন করার সময় শর্টকাট করবেন না। পুরো অঙ্ক লিখে করবেন। জ্যামিতির ক্ষেত্রে পুরো জ্যামিতি না দেখে লিখবেন। না হলে পরীক্ষার হলে গিয়ে মেলাতে পারবেন না। তাই সাবধান।

ষ কোনো অধ্যায় বা অঙ্ক যদি খুব কঠিন লাগে, তা করতে গিয়ে প্রচুর সময় নষ্ট করবেন না। া