ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস


বিদেশে পড়াশোনা

উচ্চশিক্ষায় চীন

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯      

জাবেদ ইকবাল

এশিয়ার দেশ চীন অর্থনৈতিক দিক থেকে যেমন উন্নত, তেমনি শিক্ষাব্যবস্থার দিক থেকেও এগিয়ে চলেছে। চীনের উচ্চশিক্ষার মান বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সারাবিশ্বেই তা গ্রহণীয় ও সমাদৃত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্রছাত্রীরা উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে পাড়ি জমাচ্ছেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন থাকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর। সঠিক তথ্য না জানা থাকলে বহুদিনের লালিত স্বপ্নও ব্যাহত হয়। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা থাকলে প্রথমেই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য সারাবিশ্বের শিক্ষার্থীদের কাছে চীনের নাম তালিকার শীর্ষের দিকেই থাকে। এ দেশটিতে বর্তমানে বহু বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। আর এর মধ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। চীনে এত বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী আকৃষ্ট হওয়ার কারণও আছে অনেক। সে বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই আসে দেশটির উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ, চীনের বন্ধুভাবাপন্ন সংস্কৃতির কথা। এসব দিক বিবেচনা করলে চীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আপনার আগ্রহ বাড়বেই। কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে গিয়ে পড়াশোনা করার ঝক্কিটাও কম নয়। চীনে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে শিক্ষার্থীরা প্রথমেই যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন, সেটি হলো প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব। কীভাবে সেখানে যাবেন, কোথায় পড়বেন, কীভাবে ভর্তি হবেন, পড়াশোনার খরচ কেমন, দ্রব্যমূল্য- এসব জানতে গিয়ে পড়ুয়াদের প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয়।

দীর্ঘ বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে চীনের শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিনিয়ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরোহণ করছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করছে চীন। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রী চীনে অধ্যয়ন করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীর জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল হিসেবে চীন জায়গা করে নিয়েছে বিগত কয়েক বছরে। ২০১৭ সালে তা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। কেননা বর্তমানে ব্যাচেলর সম্পন্ন করে বিশ্বের ১ নম্বর অর্থনীতির দেশ চীনে রয়েছে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ। আসন সংকটের কারণে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পছন্দসই বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ নষ্ট হয় অনেকেরই। গুণগত মান এবং খরচ এই দুইকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে উচ্চশিক্ষা নেওয়াটা কষ্টকর হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ ও চীন সুসম্পর্কের ভিত্তিতে বিশ্বের অন্যতম সুপারপাওয়ার চীন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে দিয়েছে। চীনের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রয়েছে স্কলারশিপ ফান্ডের অধীনে ১০০ শতাংশ টিউশন ফি ছাড়াই স্কলারশিপসহ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুবর্ণ সুযোগ। উরমর ঊফঁ চৎড়-এর স্বত্বাধিকারী ও সিইও মইনুল হক বলেন, সঠিক জ্ঞান ও তথ্যের অভাবে অনেক সহজ সুযোগ কাজে লাগানো যায় না। বর্তমানে সবচেয়ে সহজে ও কম সময়ে চীনের স্কলারশিপ পাওয়া যায়। প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে চীনে স্কলারশিপ পান। চীনে পড়তে যেতে চাইলে আমাদের প্রতিষ্ঠান সব ধরনের সহযোগিতা করে থাকে। বাংলাদেশ চীন সরকারের ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রজেক্টের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ব্যাপক স্কলারশিপের সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা। যেমন সিচুয়ান ইউনিভার্সিটির মতো ওয়ার্ল্ড ক্লাস ইউনিভার্সিটিতেও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে ফুল স্কলারশিপে। ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ছাড়াও ইউনিভার্সিটি, প্রভিনশিয়াল, কনফিউশাস, চায়না গভর্নমেন্ট স্কলারশিপের মতো প্রেস্টিজিয়াস স্কলারশিপ রয়েছে। চীনে অ্যাভেইলেবল ভার্সিটি থাকার কারণে সাবজেক্ট পছন্দ, ভর্তি, স্কলারশিপসহ ভিসা পেতে সমস্যা হয় না। া