ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস


এশিয়া ইয়াং ডিজাইনার অ্যাওয়ার্ড

চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২০      

জাহিদ খান

সৃজনশীল কর্মযজ্ঞে এ দেশের তরুণরা মেধার পরিচয় দিয়ে আসছেন অনেক আগে থেকেই। নিজ যোগ্যতায় জয় করেছেন অনেক খেতাব। এমনই একটি আয়োজন ছিল এশিয়া ইয়াং ডিজাইনার অ্যাওয়ার্ড। স্থাপত্য এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করল নিপ্পন পেইন্ট। 'ফরওয়ার্ড এ সাসটেইনেবল ফিউচার' থিম নিয়ে নিপ্পন পেইন্ট আয়োজন করল এশিয়া ইয়াং ডিজাইনার অ্যাওয়ার্ড ২০১৯। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল এ প্রতিযোগিতা, যাতে করে এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মেধা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা যায়। স্থাপত্য এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং বিভাগের প্রজেক্ট নিয়ে দুটি ক্যাটাগরিতে দু'জনকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয় গোল্ড পুরস্কার। এ ছাড়া দুটি ক্যাটাগরিতে দু'জনকে নগদ পঁচিশ হাজার টাকার সিলভার পুরস্কার দেওয়া হয়। দুই বিভাগের গোল্ড অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীরা এ বছর মার্চ মাসে ভিয়েতনামে 'এওয়াইডিএ সামিট' গ্র্যান্ড গালা পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এ পর্বে 'এশিয়া ইয়াং ডিজাইনার অব দ্য ইয়ার' খেতাব জিততে এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গেনসুকে ওবাটা ফেলোশিপ সামার প্রোগ্রামে অংশ নিতে আরও পনেরোটি দেশের দুই ক্যাটাগরির গোল্ড অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীরা প্রতিযোগিতা করবেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে আর্কিটেকচার বিভাগে গোল্ড উইনার হয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) জান্নাতুন তাবাস্‌সুম নওশীন এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগে গোল্ড উইনার হয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নওশিন তাবাসসুম। এ ছাড়া সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রজেক্ট জমা দেওয়ার জন্য যৌথভাবে রুয়েট ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ পেয়েছে বেস্ট সাপোর্টিং স্কুলের খেতাব। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বুয়েট অধ্যাপক কাজী আজিজুল মওলা, বাংলাদেশে স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আ স ম আমিনুর রহমান, স্থপতি এন আর খান ও স্থপতি আ ফ ম মহিউদ্দিন আকন্দ সম্মানিত জুরি সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিজয়ীদের একজন জান্নাতুল তাবাস্‌সুম নওশীন। বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, এওয়াইডিএ এমন একটা পল্গাটফর্ম, যেখানে তরুণ ডিজাইনার ও আর্কিটেক্টরা তাদের নিজস্ব আইডিয়াগুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পায়। আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমি এমন একটা সুযোগ পেয়েছি, যেখানে আইডিয়াটা আমাদের দেশের স্বনামধন্য কিছু আর্কিটেক্ট এবং অধ্যাপকদের সামনে তুলে ধরতে পেরেছি। এওয়াইডিএতে গোল্ড অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী হওয়া আমার জীবনের অন্যতম একটি প্রাপ্তি যেটা আমাকে সুযোগ এনে দিয়েছে দেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপন করার।