ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শুরু হোক পথচলা

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০      
স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে জায়গা করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। নতুন করে পাখা মেলে স্বপ্নবাজরা। কী ভাবছে প্রিয় ক্যাম্পাস নিয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নবীনরা। সেই ভাবনার কথাগুলো তুলে ধরছেন উমর ফারুক



সেই ছোট্টবেলা থেকেই স্বপ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার। আল্লাহর অশেষ রহমত ও বাবা-মায়ের দোয়া থাকায় ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হয়ে ভর্তি হন স্বপ্নের প্রাচ্যের কেমব্রিজখ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ, সৌন্দর্য সবকিছুই মনোমুগ্ধকর। এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে পড়াশোনা করে একজন আদর্শ মানুষ হওয়ার পাশাপাশি ভালো কিছু করার কথা জানিয়েছেন সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখা এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের শিক্ষার্থী উজ্জ্বল হোসেন।

অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হওয়া নগীব মেহেদীর মতে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্নটা সবারই থাকে। কারও তা পূরণ হয়, কারও অপূর্ণ থেকে যায়। সেদিক থেকে আমি ভাগ্যবান।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় 'র‌্যাগ' নিয়ে যে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেছিলাম, তা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরপরই বদলে গেছে। সেদিক দিয়ে বলতে গেলে রাবিতে 'র‌্যাগ' নামক এই ব্যাধি নেই। বড় ভাই, স্যার-ম্যামদের আন্তরিকতায় ও সহযোগিতায় মনে হচ্ছে যেন নিজের পরিবারের কাছেই আছি। দেশসেরা একটি বিদ্যাপীঠের সদস্য হওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। সেটি যদি হয় স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়, সে অনুভূতি প্রকাশ করার মতো নয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে ভবিষ্যতে মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে নতুন কিছু উপহার দিতে ভূমিকা রাখবেন আন্তর্জাতিক বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান তূর্য।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শাখাওয়াত প্রত্যাশা নিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে অনেক বড় একটি পরিসর। সবারই প্রত্যাশা থাকে অনেক কিছু করার। ঠিক তেমনি আমারও অনেক প্রত্যাশা জীবনে ভালো কিছু করার। একজন সুনাগরিক হওয়ার সব গুণ অর্জন করার চেষ্টা থাকবে। শুধু পাঠ্যবই নয়, পৃথিবী সম্পর্কে সম্মক জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করব। সদ্য ক্যাম্পাসে পা রাখা লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান জানালেন, যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছি, সেহেতু এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা থাকবে। চাকরি পাওয়া নয়, ভালো মানুষ হওয়া চেষ্টাই হবে শিক্ষিত হওয়ার মূলমন্ত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের দুই চোখে আশার প্রদীপ। যে প্রদীপ জ্বেলে এগিয়ে যাবে তাদের সাফল্যের চূড়ান্ত শিখরে। পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ার গঠনের মাধ্যমে দেশকে ভালো কিছু উপহার দেবে- এমনটাই ভাবনা নবীন শিক্ষার্থীদের। া