ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

বুঝেশুনে ক্যারিয়ার গড়ুন

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফারজানা আক্তার

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় তাত্ত্বিক বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনায় পছন্দের চাকরি পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। পছন্দের বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেও মিলছে না পছন্দের কর্মক্ষেত্র। যার ফলে বেকার সমস্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে পৃথিবীর সব দেশেই কারিগরি শিক্ষাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমাদের দেশে রয়েছে অনেক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সাধারণ শিক্ষার ক্ষেত্রে একজন এসএসসি পাস করে ধাপে ধাপে এইচএসসি (দুই বছর) ও অনার্স (চার বছর) পাস করে মোট ছয় বছর শেষ করে চাকরির বাজারে প্রবেশের জন্য প্রস্তুতি নেয়। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সরাসরি চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা গ্রহণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীর তুলনায় দুই বছর আগেই উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারে; যার একটি বড় কারণ, কারিগরি শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে সরাসরি বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। তাই শিক্ষা ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি আপনাকে শামিল করবে কম্পিউটার প্রযুক্তিবিদদের প্রথম সারিতে। সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি জোয়ার এসেছে কারিগরি শিক্ষার। এসব দিক কে সামনে রেখে যাত্রা শুরু হয়েছিল ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট(ডিটিআই) ডটিআই পরিচালিত সব ডিপ্লোমা কোর্স উচ্চশিক্ষিত শিক্ষকমণ্ডলী এবং দক্ষ ল্যাব প্রশিক্ষক দ্বারা পরিচালিত। কোর্সগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, প্রতি মাসে বিষয়ভিত্তিক কার্যক্ষেত্র পরিদর্শন ও প্রতি সেমিস্টারে ডিপার্টমেন্টভিত্তিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল শিক্ষা ভ্রমণের সুযোগ। এ ছাড়া রয়েছে শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং কোর্স শেষে জব ফেয়ারের মাধ্যমে চাকরিদাতা ও চাকরিতে আগ্রহীদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

যোগাযোগ :৪৩/আর/৫-বি, পান্থপথ, ঢাকা। ফোন :০১৭১৩৪৯৩১৮৭।

www.dti.ac