নারী ও পুরুষের সমতা এবং বৈষম্যের কথা মাথায় রেখে ১৯ শতকের প্রথমভাগে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তার 'মতিচূর' গ্রন্থে 'স্ত্রীজাতির অবনতি' শীর্ষক রচনায় লিখেছিলেন- 'পুরুষদের স্বার্থ এবং আমাদের স্বার্থ ভিন্ন নহে। একই। তাঁহাদের জীবনের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য যাহা, আমাদের লক্ষ্যও তাহাই। শিশুর জন্য পিতামাতা উভয়েরই সমান দরকার। কি আধ্যাত্মিক জগতে, কি সাংসারিক জীবনের পথে। সর্ব্বত্র আমরা যাহাতে তাঁহাদের পাশাপাশি চলিতে পারি, আমাদের এরূপ গুণের আবশ্যক।'

১০০ বছরেরও বেশি সময় পাড়ি দিয়ে আজও আমাদের লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে কলম ধরতে হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়েই যে লিঙ্গবৈষম্য সময় সময় কমছে এবং বাড়ছে সেটা বোঝাতে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, সংখ্যা-পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝাতে হচ্ছে। বাংলাদেশের কথাই যদি বলি, স্বাধীনতার ৫০ বছরে নারী-পুরুষের বৈষম্য অনেকাংশে কমেছে। লিঙ্গ সমতায় বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের তুলনায় এগিয়েছে।

২০১৯ সালের শেষভাগে পৃথিবীতে হানা দেওয়া মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে প্রায় সব খাতেই সমস্যা তৈরি হওয়ার ফলে সমাজে বেড়েছে লিঙ্গবৈষম্যের হার। স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি বাড়ছে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানসিক চাপ। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে শ্রমজীবী মানুষ এবং অনানুষ্ঠানিক শ্রম খাতের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী। এর মধ্যে আছেন কৃষিকাজে জড়িত শ্রমিক, গৃহকর্মী, প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী, নির্মাণকাজ, পোশাক ও হস্তশিল্পে নিয়োজিত, হিজড়া জনগোষ্ঠী, একক নারীপ্রধান পরিবার, যৌনকর্মী, আদিবাসী, দলিত নারীসহ অনেকে। এই দুর্যোগে বেড়েছে নারীর প্রতি নানা ধরনের বৈষম্য, বঞ্চনা, নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা; বেড়েছে মানসিক বিপর্যয়। সহিংসতার শিকার নারী ও মেয়েশিশুদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না প্রয়োজনীয় সার্বিক সেবা, যা বাড়িয়ে দিচ্ছে নির্যাতনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি।

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের আছে গর্ব করার মতো বেশকিছু অর্জন। এসব সত্ত্বেও উচ্চ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ, সম্পত্তিতে মালিকানা, ব্যবস্থাপনা বা নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে নারী এখনও অনেক পিছিয়ে। জেন্ডার বৈষম্যের সবচেয়ে নির্মম বহিঃপ্রকাশ নারী ও কন্যাশিশুর ওপর ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং যৌন নির্যাতনের মতো ঘটনা, যা সার্বিক উন্নয়নের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ। নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকাশ ঘরে-বাইরে এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি এবং নির্যাতনে ভয়াবহ মাত্রা ধারণ করেছে, যা নারীর অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

১৯৬০ সালে কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার সমতা এবং ১৯৭০ সালে বিশ্বজুড়ে নারীর প্রতি যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে নারীবাদীদের সোচ্চার আন্দোলন গড়ে ওঠে। দুই দশকের এই আন্দোলন প্রচলিত অন্যান্য সামাজিক আন্দোলনসহ রাষ্ট্রীয় আইনি ব্যবস্থা ও কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সময়ে অনেক দেশ যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করে। ১৯৮১ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ২১টি দেশ যৌন নির্যাতনের ঘটনাকে অপরাধের স্বীকৃতিসহ এর বিরুদ্ধে সক্রিয় কার্যক্রমের ঘোষণা দেয় এবং নীতিমালা প্রণয়ন করে।

বাংলাদেশেও নারী নির্যাতনবিরোধী কঠিন আইন আছে। কমেনি নারী নির্যাতন পরিবর্তন; আসেনি নারীর প্রতি সমাজের প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা। যদিও আমরা গর্ব করে বলছি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধির সর্বক্ষেত্রে নারীর দৃশ্যমান উপস্থিতির কথা। সর্বক্ষেত্রে নারীরা নেতৃত্ব দেওয়ার মতো শিক্ষা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা অর্জন করেছে। কিন্তু নারীর এই অগ্রযাত্রা ও ক্ষমতায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান যৌন হয়রানি, নির্যাতন এবং যৌন শোষণ। নারীর অগ্রগতি তথা ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে যে চিত্র আমরা দেখছি, তা অনেক ক্ষেত্রে নারীর একান্ত অর্জন। কিছু ক্ষেত্রে পুরুষের পার্শ্বসঙ্গী হিসেবে পেলেও তা সংখ্যায় কম। ইউএনউইমেন, ইউনিসেফ ও অ্যাকশনএইডের তথ্য অনুযায়ী, সারাবিশ্বে প্রায় ৩৫ শতাংশ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার।

কভিড-১৯ চলাকালে এবং পরবর্তী সময়ে দেশে নারী নির্যাতনের এক ভয়াবহ চিত্র দেখতে পাই আমরা। বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে ২০ হাজার ৭১৩ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক হাজার ৫৪৬ জন নারী। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫১ জনকে। আত্মহত্যা করেছেন ১৪ জন। ৯৭৪ শিশু হয়েছে ধর্ষণের শিকার। ২০১৯ সালে এক হাজার ৪১৩ জন নারী ও ৯৮৬ জন শিশু এবং ২০১৮ সালে ৭৩২ জন নারী ও ৪৪৪ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে এ সংখ্যা আরও বেশি। অনেক সময় পারিবারিক চাপ কিংবা লোকলজ্জার ভয়ে নির্যাতিত নারী তাদের ওপর অত্যাচারের কথা চেপে যান।

লিঙ্গবৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ধারাবাহিক উন্নতি করেছে। এই বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, যা বিগত কয়েক বছরের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট' পর্যালোচনা করলে দেখতে পাই। কিন্তু করোনা-পরবর্তী সময়ে গত এক বছরে দেশে এই বৈষম্য বেড়েছে। 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২১' অনুযায়ী বাংলাদেশ এক বছরের ব্যবধানে পিছিয়েছে ১৫ ধাপ। সমতা অর্জনের বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ৬৫তম। এই সূচকে গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫০তম। অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ, শিক্ষার সুযোগ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন- এই চার মাপকাঠিতে নারী-পুরুষের বৈষম্য বিবেচনা করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়ে থাকে। সূচকে একটি দেশের অবস্থান নির্ধারণ করা হয় ১ ভিত্তিক স্কেলে, যেখানে ১ মানে হলো পুরো সমঅধিকার, আর শূন্য মানে পুরোপুরি অধিকারবঞ্চিত। এ হিসাবে বাংলাদেশের এবারের মোট স্কোর শূন্য দশমিক ৭১৯, যা গত বছর ছিল শূন্য দশমিক ৭২৬। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সূচকে অবনতি হয়েছে। বৈশ্বিকভাবে অবনমন ঘটলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে নারীর অবস্থান, শিক্ষায় সমান সুযোগ এবং কর্মসংস্থানে নারীর এগিয়ে যাওয়ায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে। এ বছর মোট ১৫৬টি দেশের তথ্য নিয়ে এ সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বাংলাদেশে মূলত শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ সীমিত হওয়ায় অর্থনৈতিক সমতা সূচকে অবনতি হয়েছে। বাংলাদেশের ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ নারী, ভারতের ২২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ২২ দশমকি ৬ শতাংশ নারী রয়েছে শ্রমবাজারে। এই অঞ্চলে নেপালের অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ৮৫ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের শীর্ষ সাত দেশের একটি বাংলাদেশ। সরকারপ্রধানসহ দেশের অনেক শীর্ষ পর্যায়ে নারীরা রয়েছেন। স্বাধীনতার ৫০ বছরের ইতিহাসে একমাত্র বাংলাদেশেই দীর্ঘ ২৭ বছর শীর্ষে অবস্থান করছেন নারী। 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২১'-এর তথ্যমতে, করোনা মহামারি শুরুর পর স্বাস্থ্য খাতে জরুরি অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংকুচিত হয়ে আসায় সারাবিশ্বেরই নারীরা তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। এক বছরের ব্যবধানে বিশ্বে নারী-পুরুষের সমতার ব্যবধান শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। যে গতিতে বিশ্ব এগোচ্ছে, তাতে সারাবিশ্বে নারী-পুরুষে বৈষম্য বিলোপ করতে ১৩৫ বছরেরও বেশি সময় লাগবে।

অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাতের সম্প্রতি প্রকাশিত 'বড় পর্দায় সমাজ-অর্থনীতি-রাষ্ট্র :ভাইরাসের মহাবিপর্যয় থেকে শোভন বাংলাদেশের সন্ধানে' শীর্ষক গ্রন্থে তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নারীর অপ্রকাশ্য অবদানের চিত্র তুলে ধরেছেন। ওই গ্রন্থে তিনি দেখিয়েছেন, আমাদের গার্মেন্ট শিল্পের মেয়েরা কর্মস্থলে যাওয়া-আসা মিলে বছরে ২৪০ কোটি কিলোমিটার হেঁটে কয়েক লাখ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা দেশে-বিদেশে অন্যের হাতে তুলে দেন। ওই মেয়েরা তো অর্ধভুক্ত থাকেন। আর এখন কভিড-১৯-এর কারণে তাদের অবস্থা খুব সুখকর নয়। আমাদের মায়েরা ৩০-৪০ বছর ধরে বসা অবস্থায় রান্নাবান্নার কাজে ব্যয় করার কারণে বাতজ্বর থেকে শুরু করে বদ্ধ রান্নাঘরের ধোঁয়া-উদ্ভূত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভোগেন। ফলে তাদের জীবনে একদিকে যেমন সংশ্নিষ্ট অসুস্থতা ক্রনিক রূপ নেয়, তেমনি তাদের জীবনের সুস্থ আয়ুস্কাল হ্রাস পায়। নারী শত ধরনের গৃহস্থালি কর্মকাণ্ডে শ্রম দেন; গ্রামে বাড়ির উঠানে ধান শুকানোসহ বীজ সংরক্ষণ পর্যন্ত কৃষিকাজে শ্রম দেন; শিশু ও প্রবীণদের যত্ন-আত্তি করেন। এসব সময়ের অর্থমূল্য জিডিপিতে যোগ করার বিষয়ে আবুল বারকাত ব্যাখ্যা প্রদান করতে গিয়ে লিখেছেন, 'বলা হয়, নারীরা তো এসব কাজ করবেনই; বলা হয়, নারীরা এসব করেন ভালোবেসে। এই হলো 'ভালোবাসার অর্থনীতি'; আর 'ভালোবাসার অর্থনীতির' অর্থমূল্য নিরূপণ করা ঠিক নয়। তিনি হিসাব করে দেখিয়েছেন, 'ভালোবেসে' বাংলাদেশের ১০ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী নারীরা গৃহস্থালি কর্মকাণ্ডে বছরে ব্যয় করেন ১৬ হাজার ৬৪১ কোটি শ্রমঘণ্টা, যার বার্ষিক অর্থমূল্য হবে আনুমানিক দুই লাখ ৪৯ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা। 'ভালোবাসার অর্থনীতি'র আর্থিক মূল্য যোগ করলে হিসাবকৃত যে জিডিপি হবে, তার প্রায় ৪৮ শতাংশই হবে নারীর অবদান।

কালে কালে, যুগে যুগে নারীমুক্তি এবং সমতার কথা লিখে গিয়েছেন আমাদের প্রথিতযশা সাহিত্যিকরাও। লেখক রাজেন্দ্রলাল মিত্র ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের প্রচণ্ড উত্তাপের মধ্যেও নারীসমাজের অধিকারের জন্য কলম ধরেছিলেন। ১৮৫৯ সালে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় 'পদ্মিনী' উপন্যাসে স্ত্রী-স্বাধীনতার যৌক্তিকতার কথা লিখেছিলেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'বীরাঙ্গনা কাব্য'তে ১৮৬২ সালে নারীর শৌর্যের প্রতিচ্ছবি অঙ্কন করেছিলেন। 'বামাবোধিনী' পত্রিকা ১৮৬৩ সাল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে নারীমুক্তির জন্য দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছিল দীর্ঘকাল ধরে। ১৯৩৮ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ 'চিত্রাঙ্গদা' নৃত্যনাট্যে নারীর মহিমা, নারীর ঔজ্জ্বল্য, হৃদয়স্পর্শী ভূমিকা অপূর্ব দৃঢ়তার সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন। রাজা রামমোহন রায়ের আপসহীন সংগ্রামের ফলে ১৮২৯ সালে 'সতীদাহ' প্রথা নিষিদ্ধ হয়েছিল। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নারী-শিক্ষার প্রসারে শত বাধা-বিপত্তি লঙ্ঘন করে যে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা অনন্য। বেগম রোকেয়া, ইলা মিত্র, বেগম সুফিয়া কামাল, নূরজাহান বেগম, হেনা দাস প্রমুখ নারীসমাজের যোগ্য ভূমিকা পালন করার সুযোগ সৃষ্টির উপযুক্ত ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন।

সব শেষে বলি, নারী ও পুরুষের সমতা তৈরি তথা লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ এবং আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজের মানুষদের মানসিকতার পরিবর্তন।

মন্তব্য করুন