শৈলী

শৈলী

পথচলায় সচেতনতা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৯

সড়ক দুর্ঘটনার খবর আসছে প্রতিদিন। জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতেই হবে। আর ব্যবহার করতে হবে বিভিন্ন রকমের পরিবহন। সচেতনতা তাই আবশ্যক। মানতে হবে আইন ও নিয়মনীতি। তবেই নিরাপদে ভ্রমণ করা যাবে। সুস্থভাবে ফেরা যাবে ঘরে। মোটরযান আইনের বিধান অনুসারে, ২০ বছরের নিচে কোনো ব্যক্তি পেশাদার চালকের আসনে বসতে পারবে না। অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানো দণ্ডনীয় অপরাধ। আইনের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান অথবা যাত্রীবাহী মোটরযান চালালে বা অন্যকে চালাতে দিলে সর্বোচ্চ চার মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদ অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

চালকের পাশাপাশি সহকারী চালকের জন্যও লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। আইন অনুসারে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই অভিযুক্ত চালককে গ্রেফতার করতে পারেন। মোটরযান আইন অনুযায়ী মোটরযান নিবন্ধন করা অবশ্যই প্রয়োজন।

রাস্তার বিপজ্জনক অবস্থায়, যেমন- ঢালু জায়গায় গাড়ি না থামাতে ড্রাইভারদের ওপর দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। গাড়ির চালক বা কন্ডাক্টর চলন্ত গাড়িতে কিংবা বাম্পার বা ছাদে কিংবা ভেতরে ছাড়া অন্য কোনো স্থানে কোনো ব্যক্তিকে আরোহণ করতে দিতে পারবেন না এবং অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে বেশি যাত্রী নিতে পারবেন না।

আইন অনুযায়ী গাড়ির চালক যতখানি সম্ভব রাস্তার বাম দিকে নির্ধারিত লেনে গাড়ি চালাবেন এবং বিপরীত দিক থেকে আসা সব যানবাহনকে ডান দিক দিয়ে যেতে দেবেন। চালক যদি কোনো মিছিল কিংবা একদল সৈন্য বা ওই রাস্তায় কর্মরত পুলিশের সম্মুখীন হন কিংবা রাস্তা মেরামতে নিয়োজিত শ্রমিকদের পাশ দিয়ে যান, তাহলে গাড়ির গতি ঘণ্টায় ১৫ মাইলের বেশি করা যাবে না। চালক এমনভাবে গাড়ি চালাবেন, যাতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। দুটি গাড়ি অতিক্রম করার সময় পরস্পরের গায়ে যেন না লাগে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল এলাকা দিয়ে গাড়ি যাওয়ার সময় চালককে সব দিকে নজর রাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট গতিসীমার চেয়ে বেশি গতিসীমায় গাড়ি চালানো যাবে না।



লেখা :আফসানা স্বর্ণা