সামনে এগিয়ে যেতে হবে...

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৯      
একটি শিশু জন্ম নেওয়ার আগে থেকেই বাবা-মা তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। আর শিশুটি নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শেখে একটু বুঝতে শেখার পর থেকেই। বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জন্ম নেয় স্বপ্ন দেখা থেকেই। ছোটবেলার স্বপ্ন পরিবর্তিত হয় বারবার। খেলার বয়সে আইসক্রিম বিক্রেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখা কিশোরী আর একটু বড় হয়ে পুতুল বিক্রেতা হতে চায়। আবার স্কুলের ক্লাস করতে করতে সে স্বপ্ন দেখে প্রিয় শিক্ষকের মতো হওয়ার। মানুষের সেবা করার প্রত্যয়ে কখনও হতে চায় ডাক্তার, কখনও সেনা কর্মকর্তা আবার কখনও পাইলট। স্বপ্ন দেখা ও স্বপ্ন পূরণ নিয়ে কথা হয় সাদিয়া হক সিমির সঙ্গে। যিনি আছেন প্রধান প্রশাসক ও সিকিউরিটি অফিসার হিসেবে অনলাইন মার্কেট প্লেস দারাজে।

তিনি বলেন, 'খুব ছোটবেলায় ইচ্ছা ছিল একজন স্থপতি হওয়ার। আধুনিক দালান তৈরি করে বিশ্ব দরবারে নিজের দেশকে তুলে ধরার। কিন্তু একজন সামরিক কর্মকর্তা হয়ে শুরু হয় কর্মজীবন। গত ১৫ বছর ধরে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকার পরে আরেকটি কর্মজীবন শুরু করার বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করি। কারণ স্বপ্ন দেখেছিলাম নতুন কিছু করার। তাই পাড়ি জমানো দারাজ বাংলাদেশে। ইলেক্ট্রনিক বাণিজ্যে অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে দারাজের প্রধান প্রশাসক ও সিকিউরিটি অফিসার হিসেবে শুরু এক নতুন যাত্রা। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাতে মনোযোগী হই। পেশাগত চ্যালেঞ্জ আমার কখনোই বাধা মনে হয়নি। কেননা, জীবন মানেই নানা রকমের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা। তাই আমি নিজেকে তৈরি করেছি প্রতিদিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার মনোভাব নিয়ে জীবনযাপন করতে। কারণ একজন মানুষের জীবনে রয়েছে নানা ধরনের সম্পর্ক। আর সম্পর্ক মানেই ভালোবাসা আর মায়ার বাঁধনে বেঁধে রেখে যত্ন করা। তাই জীবনযাপন মানেই আমার কাছে ফুলটাইম জব। আমি একাধারে একজন মা, একজন স্ত্রী, একজন মেয়ে, বোন ও ভাবি। একই সঙ্গে সব সম্পর্ক যত্ন করে, কর্মজীবন সামলে সামনে এগিয়ে যাওয়াকেই আমার জীবন মনে হয়। আমি বিশ্বাস করি, আমরা জীবনে বাঁচি একবারই এবং এই একটি জীবনেই তৈরি করতে হবে আমাদের নিজ পরিচয়, আঁকতে হবে নিজ পদচিহ্ন। আমি সব মেয়ের উদেশে বলতে চাই- আপনি চেষ্টা করলেই পারবেন যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে!'



লেখা : শৈলী ডেস্ক

পরবর্তী খবর পড়ুন : বর্ষায় সুন্দর

অন্যান্য