শৈলী

শৈলী

খোঁজখবর

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইশো শুরু করল 'দ্য আর্টিস্ট কর্নার'

উদ্ভাবনী ও সাড়া জাগানো ফার্নিচার ব্র্যান্ড ইশো 'দ্য আর্টিস্ট কর্নার' নামে স্বতন্ত্র একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। উদীয়মান আর্টিস্ট কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে অন্যতম ইশো সহযোগী পার্টনার হিসেবে থাকবে।

'দ্য আর্টিস্ট কর্নার' নামে পরিচিত এই ফিচার আরও ব্যাপকসংখ্যক মানুষের বাসার স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী দুর্দান্ত সব আর্টের সঙ্গে তাদের এক্সপেরিয়েন্স ও ব্যবহারের জন্য ইশো এবং আর্টিস্টদের মধ্যে একটি সত্যিকারের সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে। আর্টিস্টদের মধ্যে রয়েছেন কাজী তাহসিন আগাজ অপূর্ব, কাজী ইসটেলা, সাইফ মাহমুদ, মানসিব মোরসালিন, রনি রেজা এবং শেভি। যারা ইশোর সঙ্গে মিলে যত্নের সঙ্গে তৈরি করেছেন নান্দনিক সব আর্টওয়ার্ক, যাতে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের জীবন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য। নতুন অডিয়েন্সের কাছে নিত্যনতুন শিল্প কৌশল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং চাহিদা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এসব আর্টিস্ট, যারা ইশো পছন্দ করেন- এই প্ল্যাটফর্মে তাদের নিজস্ব সিগনেচার স্টাইল নিয়ে আসবেন।

ইশোর প্রতিষ্ঠাতা এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর রায়ানা হোসেইন বলেন, এই স্বতন্ত্র সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা আশা করছি, নতুন অডিয়েন্সের সামনে এসব তরুণ শিল্পীর কাজগুলো তুলে ধরার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারব। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে শিল্পের গুরুত্ব জোরদারের ব্যাপারে আমি সব সময়ই আগ্রহী ছিলাম, আমাদের ফার্নিচারের ডিজাইনে যেমনটা থাকে এবং এটি দেখানোর জন্য 'দ্য আর্টিস্ট কর্নার'-এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় সম্ভবত আমার ভাবনায় নেই।

অনলাইনে উদ্বোধন হওয়া এ ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন শিল্পজগতের বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক নিসার হুসেন, ডিন, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বৃত্ত আর্টস ট্রাস্টের শিল্পী ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা তাইয়ে্যবা বেগম লিপি; দুর্জয় রহমান, আর্ট কালেক্টর, প্রতিষ্ঠাতা দুর্জয় বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এবং অসংখ্য পুরস্কারজয়ী খ্যাতিমান শিল্পীবৃন্দ। 'দ্য আর্টিস্ট কর্নার' হবে ইশোর একটি চলমান উদ্যোগ, যেখানে প্রতিষ্ঠিত এবং উদীয়মান আর্টিস্টরা তাদের কাজগুলো ইশোর সব প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরতে পারবেন।



ইয়াংকে শরৎমেলা

এই শরতে তারুণ্যের ফ্যাশন ব্র্যান্ড ইয়াংকে পাওয়া যাচ্ছে ঋতু উপযোগী, ট্রেন্ডি ও ফ্যাশনেবল সব পোশাক। পোশাকের ক্ষেত্রে আনা হয়েছে নতুনত্ব। আবহাওয়া ও আরামের বিষয়টি মাথায় রেখে আধুনিকতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিটি পোশাকের রং, প্যাটার্ন ও নকশায়।

প্রয়োজন ও সাধ্যের মধ্যে কুর্তি, সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট, টপস, পালাজ্জো এবং ছেলেদের জন্য পোলো শার্ট, টি-শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, ডেনিম প্যান্ট, পাঞ্জাবিসহ নানা পোশাক ফ্যাশন সচেতন মানুষের নজর কাড়বে।

এসব কালেকশন পাওয়া যাচ্ছে ইয়াংকের মিরপুর, পুলিশ প্লাজা, বেইলি রোড, সোবহানবাগ ও যমুনা ফিউচার পার্ক শাখায়।

এ ছাড়া ক্রেতাদের কেনাকাটাকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক করে তুলতে যে কোনো সময় ইয়াংকের পণ্য কিনতে পারবেন ইয়াংকের ফেসবুক পেজ থেকে।



বিশ্বরঙ-এর দুর্গাপূজার আয়োজন

দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য অন্যতম ধর্মীয় উৎসব। আশ্বিন ও কার্তিক মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালন করা হয় দুর্গাপূজা। এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশ্বরঙ-এর আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য। এবারের দুর্গাপূজায় মোটিফের উৎস হয়েছে আমাদের চিরচেনা 'প্রকৃতি'। প্রকৃতি বলতে এই পৃথিবী তথা সমগ্র সৃষ্টিকে নির্দেশ করে। প্রকৃতি বলতে জাগতিক বিশ্বের মানবসৃষ্ট নয়, এমন দৃশ্য-অদৃশ্য বিষয় এবং জীবন ও প্রাণকে বোঝায়। গাছপালা, নদী-নালা, পশুপাখি, পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি সব বস্তুর মতো মানুষও প্রকৃতির একটি উপাদান মাত্র। তাই 'বিশ্বরঙ' দুর্গাপূজা ২০২০-এর পোশাক অলংকরণের অনুষঙ্গ হিসেবে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানকে গ্রাফিক্যাল জ্যামিতিক ফর্মের সমন্বয়ে উপস্থাপন করেছে কাপড়ের মলিন সার্ফেসে। পোশাকের প্যাটার্নেও এসেছে ভিন্নতা। এবার দুর্গাপূজায় পোশাকগুলো সিল্ক্ক, হাফ সিল্ক্ক, ডুপিয়ান, এন্ডিসহ বিভিন্ন কাপড়ের শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রিপিস, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট ইত্যাদিতে তুলে ধরা হয়েছে প্রকৃতির উপাদান। গাছ, লতাপাতা, ফুল ইত্যাদির গ্রাফিক্যাল জ্যামিতিক ফর্মগুলোর মোটিফ এবং গরমের কথা মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয়েছে সুতি ও খাদি কাপড়। এ ছাড়া দুর্গাপূজার পোশাকগুলোতে উৎসবের আমেজ ফুটিয়ে তুলতে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি কাজের মাধ্যম হিসেবে এসেছে চুনরি, টাই-ডাই, ব্লক, বাটিক, অ্যাপলিক, কাটওয়ার্ক, স্ট্ক্রিন প্রিন্ট ইত্যাদি। দুর্গাপূজার বিশেষ পোশাক প্রদর্শনী চলছে বিশ্বরঙ-এর সব শোরুমে এবং অনলাইনে।



আফরিন-এর

পূজা কালেকশন

শিল্প-সংস্কৃতি ও স্বাধীন বাংলার প্রকৃতির ছোঁয়ায় সমৃদ্ধ আফরিন ফ্যাশনের পূজা কালেকশন। গ্রামবাংলার সবুজ প্রাকৃতিক এক অধ্যায় ফুটে উঠেছে আফরিন ফ্যাশনের শাড়িতে। বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি, শান্ত নদীর তীর, শিশির ভেজা বুনো ফুল, পাহাড়ি গাছগাছালি, শোভা পেয়েছে বিভিন্ন শাড়িতে। দুর্গা মায়ের হাসিমুখ, জোছনা, পাহাড়, বুনো বাঁশক্ষেত, দাদির মুখে শোনা ছোট্টবেলার স্বপ্নের রূপকথার প্রতিচ্ছবিতে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন রঙিন পাঞ্জাবি। আফরিন ফ্যাশন হাউস কর্ণধার ইশারা আফরিন মিতু জানান, 'পোশাকে গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক প্রতিচ্ছবি শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।'



মডেল : ইশারা আফরিন মিতু, ক্যাপ্টেন