রাজধানীতে বিশ্বরঙের নতুন শোরুম

যমুনা ফিউচার পার্কের পর এবার রাজধানীর ইস্টার্ন প্লাজায় যাত্রা শুরু করল তাদের আরও একটি নতুন শোরুম। বিভিন্ন মিডিয়া ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে এক আড়ম্বরতার মধ্যদিয়ে চালু হয় শোরুমটি। একই সঙ্গে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গৌরবময় উৎসব পহেলা বৈশাখকে বরণ করতে ' উৎসবে বিশ্বরঙ' শীর্ষক পোশাক প্রদর্শনী শুরু করেছে, যা চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। বৈশাখ ১৪২৮-এর পোশাক অলংকরণের অনুষঙ্গ হিসেবে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানকে গ্রাফিক্যাল জ্যামিতিক ফর্মের সমন্বয়ে উপস্থাপন করেছে কাপড়ের মলিন সারফেসে সৃষ্টির উল্লাসে। পোশাকের প্যাটার্নেও এসেছে ভিন্নতা। তাদের পোশাক প্রদর্শনীতে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রিপিস, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট ইত্যাদিতে তুলে ধরা হয়েছে প্রকৃতির উপাদান। যার মধ্যে থাকছে গাছ, লতাপাতা, ফুল ইত্যাদির গ্রাফিক্যাল জ্যামিতিক ফর্মের মোটিফ। গরমের কথা মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয়েছে সুতি ও খাদি কাপড়। এই পোশাকগুলোতে উৎসবের আমেজ ফুটিয়ে তুলতে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাকে কাজের মাধ্যম হিসেবে এসেছে চুনরি, টাইডাই, ব্লক, বাটিক, এপলিক, কাটওয়ার্ক, স্ট্ক্রিন ইত্যাদি।



কে-কদ্ধ্যাফটে বৈশাখ

বর্ষবরণের এ মহাউৎসবে দেশীয় পোশাকের পসরা সাজিয়েছে কে- কদ্ধ্যাফট। সময়, আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী নানা পোশাক থাকছে এ আনন্দ উৎসবে এবং পাওয়া যাবে যৌক্তিক মূল্যসীমার মধ্যেই। মাধুবনী, পুরাকীর্তি, ট্রাইব্যাল, ট্র্যাডিশনাল ফোক, জামদানি, কলকা, ফোরাল এবং জ্যামিতিক এমন নানা মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বৈশাখী পোশাকে। এবারের আয়োজনে সুতি, তাঁত ও লিনেনের মতো আরামদায়ক কাপড় বেছে নেওয়া হয়েছে। লাল, সাদা, অফহোয়াইট, কমলা, মেরুন, মেজেন্টা, বিস্কিট, পিচ এবং নীলের নানা শেডসহ নানা রঙের পোশাকে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ট্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট এবং টাইডাইয়ের মাধ্যমে অলংকরণ করা হয়েছে। নিজস্ব ডিজাইনে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস-স্কার্ট, কটি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট এবং অর্নামেন্টস ও গৃহসজ্জা সামগ্রী। এছাড়া শিশুদের জন্য থাকছে নানা পোশাকের সমৃদ্ধ আয়োজন। বরাবরের মতোই থাকছে যুগল ও ফ্যামিলি পোশাক। অনলাইন শপ থেকে বৈশাখের বিশেষ ছাড় মিলবে।



বাংলার ভেনিস বরিশালে সেইলর

রুচিশীল পোশাকের প্রতিষ্ঠান 'সেইলর' এবার বাংলার ভেনিস বরিশালে। শহরের বাংলাবাজার মোড়ে সর্ববৃহৎ শোরুম গত ২ এপ্রিল শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে। এ সময় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, ইপিলিয়ন গ্রুপের পরিচালক জুনায়েদ আবু সালেহ্‌ মুসা, চিফ অপারেটিং অফিসার রেজাউল কবীরসহ অন্যান্য শীর্ষ কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা। নগরীর আলেকান্দা এলাকাধীন বাংলাবাজার মোড় সংলগ্নে আট হাজার স্কয়ার ফুটের তিনতলা ভবন নিয়ে সুপরিসরে বৃহৎ এই আউটলেটটি সাজানো হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে। মডার্ন ইন্টেরিয়র এবং বেশ বড় জায়গাজুড়ে মিনিমাল ডিজাইন নিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। ইন্টেরিয়রের পাশাপাশি ক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়াতে পুরো আউটলেটে রয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা, সার্ভিস কাউন্টার, আলাদা বসার সুব্যবস্থা। আউটলেটের প্রতি তলায় থাকছে ক্যাটাগরি অনুযায়ী পোশাক এবং নানা আকর্ষণীয় লাইফস্টাইল পণ্য। নিচতলায় রয়েছে হোম ডেকোর আইটেম এবং বাচ্চাদের পোশাক, যথারীতি প্রথম তলায় ওম্যান্স কালেকশন ও দ্বিতীয় তলায় মেন্সওয়্যার দিয়ে সাজানো হয়েছে।



নতুন রূপে ট্রাভেল বাংলাদেশ

ভ্রমণবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম 'ট্রাভেল বাংলাদেশ' নতুন রূপে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন সারপ্রাইজ নিয়ে হাজির হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হান্নান মিয়া জানান, তরুণরা ডিজিটাল বাংলাদেশের বিনির্মাণে দারুণ দারুণ উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসছে। এগুলো দেশের পর্যটনকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। ট্রাভেল বাংলাদেশের নতুন সার্ভিসগুলো অনেক ভালো। এর মাধ্যমে ভ্রমণপিপাসুরা উপকৃত হবেন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, দর্শনীয় স্থান, খাবার এবং হোটেল-রিসোর্টসহ সব ধরনের ভ্রমণতথ্য মিলবে এখানে। এছাড়া তাদের রয়েছে 'ট্যুর মার্কেট' নামে একটি কনসেপ্ট। যেখানে দেশের ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গ্রুপগুলো থেকে অনলাইনের মাধ্যমে যে কোনো সেবা গ্রহণ করা যাবে। ওয়েব ঠিকানা: travelbd.xyz



বৈশাখে রঙ বাংলাদেশ

পোশাক সংস্কৃতিকে সচেতনভাবে বিবেচনায় রেখেই রঙ বাংলাদেশ এবার সাজিয়েছে তাদের বৈশাখ সংগ্রহ। এই সময়, প্রকৃতির অবস্থা, পারিপার্শ্ব, আবহাওয়া ও পোশাকের উপকরণ নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাই কাপড়ের রঙে প্রাধান্য পেয়েছে লাল, সাদা, নীল, মেজেন্টা, পেস্ট, কমলা, টিয়া, ক্রিম এবং ফিরোজা। বৈশাখ সংগ্রহে থাকছে স্ট্ক্রিনপ্রিন্ট, ব্লকপ্রিন্ট, এমব্রয়ডারি, প্যাচওয়ার্ক, হাতের কাজ এবং কারচুপি। কাপড় হিসেবে রয়েছে তাঁত, সুতি, লিনেন, হাফসিল্ক্ক ও মসলিন। মেয়েদের পোশাকে রয়েছে শাড়ি, সিঙ্গেল কামিজ, স্কার্ট-টপস, প্লাজো, আনস্টিচ, ওড়না, ব্লাউজ পিস এবং তৈরি ব্লাউজ। ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট, কাতুয়া, টি-শার্ট, পায়জামা, লুঙ্গি, গেঞ্জি, ধুতি ও উত্তরীয় মিলবে। ছোটদের পোশাকে পাওয়া যাবে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফ্রক, স্কার্ট-টপস, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট। সঙ্গে আছে কাপল ও ফ্যামিলি ড্রেস। এছাড়া আরও রয়েছে গয়না ও মেয়েদের ব্যাগ। তাদের ঢাকাসহ সারাদেশের আউটলেটে মিলবে বৈশাখ সংগ্রহ। এছাড়া কিনতে পারবেন অনলাইন স্টোর থেকে। ওয়েব ঠিকানা:িি.িৎধহম-নফ.পড়স



ঈদে ছাড় দিচ্ছে টাঙ্গন

ঈদ উপলক্ষে অনলাইন শপিং ব্র্যান্ড 'টাঙ্গন' তাদের বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে। সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ছাড়ের পাশাপাশি বিনামূল্যে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা। এ অফারটি চলবে ঈদ পর্যন্ত। স্বল্পমূল্যে চামড়াজাত পণ্য বিক্রির প্রতিশ্রুতি নিয়ে গত বছরের পহেলা ফাল্কগ্দুন যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। শুরুর পর থেকেই লেদার প্রকৌশলী কয়েকজন উদ্যমী তরুণের এই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মানসম্মত পণ্য বিক্রি করে আসছে। টাঙ্গনে রয়েছে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির লেদারের ফরমাল শু, লোফার, বেল্ট, লেডিস ব্যাগ-পার্স, ওয়ালেট থেকে শুরু করে চাবির রিং পর্যন্ত। এছাড়া মিলবে স্পোর্টস শু এবং স্নিকার। লেদার প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার ও টাঙ্গনের সহপ্রতিষ্ঠাতা খায়রুল হুদা ওহি জানান, ঈদ উপলক্ষে আমাদের কালেকশন আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। সব পণ্যের গুণগত মান ধরে রাখতে তারা বদ্ধপরিকর। ফেসবুকে tangoonbd
পেজে গিয়ে অর্ডার করা যাবে। ফোন :০১৪০৪৭০৮০৯০। পেজ লিংক:  cutt.ly/aczyrQI




প্যাকিং সুবিধা এ. হাকিমের পর্দায়

ঈদ সামনে রেখে পুরান ঢাকার এ. হাকিমের পর্দা নিয়ে এসেছে নতুন কালেকশন। তাদের শোরুমে মিলবে পর্দা, সোফার কভার, বিছানার চাদর, গাড়ির সিট এবং কুশন কভার। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানিয়েছে ঘরের আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে দৃষ্টিনন্দন পর্দা-সোফা কভারের বিকল্প নেই। উৎসবে ঘর সাজাতে পছন্দমতো কাপড় কিনে পর্দা বা সোফার কভার তৈরি করে নেওয়ার এখনই উত্তম সময়। এছাড়া তাদের থাকছে রেডিমেড পর্দা, সোফা কভারসহ চাদর। দেশের পাইকারদের জন্য ঈদে ক্রয়কৃত পণ্যের প্যাকিং সুবিধা দিচ্ছে একদম বিনামূল্যে। ঠিকানা: ৫-৬ চায়না মার্কেট, বেজমেন্ট, নবাববাড়ী, ইসলামপুর, ঢাকা।

কফিপ্রেমীদের জন্য গ্লোরিয়া জিন্স নতুন শাখা

জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়ান কফি চেইন ঢাকা গ্লোরিয়া জিন্স ৪২ বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। সেরা মানের কফিদানা এবং সর্বোচ্চ স্তরের প্রশিক্ষিত বারিস্তা দিয়ে গ্লোরিয়া জিন্স ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে কফি সরবরাহ করে আসছে। সম্প্রতি গ্লোরিয়া জিন্স কফি রামপুরায় তাদের ষষ্ঠ শাখা উদ্বোধন করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ চক্রবর্তী, উপকমিশনার (গুলশান বিভাগ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ইসতিয়াক মাহমুদ (সিএইচআরও), মোহাম্মদ আরফাদুর রহমান বান্টি (সিসিএও), মোসলেম ইসলাম (সিটিও), আফজাল নাজিম, মামুন রহমান এবং নাভানা গ্রুপের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গ্লোরিয়া জিন্সের প্রধান মোর্শেদ এলাহী বলেন, বর্তমান অতিমারির কারণে গ্লোরিয়া জিন্স কফি সর্বোচ্চ স্তরের পরিমাপ সূচকে সর্বোত্তম স্বাস্থ্য সুরক্ষা বজায় রেখে ইউএস ইপিএ-এর সত্যায়িত রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা করছে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য প্রায় অর্ধেক আসন সরিয়েছে এবং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মাস্ক পরিধান।

মন্তব্য করুন