সুহৃদ সমাবেশ

সুহৃদ সমাবেশ

নতুন প্রজন্ম মেধায় মোটেও দরিদ্র নয়

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৪

দুই দিনব্যাপী বিএফএফ-সমকাল ২য় জাতীয় বিজ্ঞান বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসরে বিতার্কিকদের প্রেরণা দিতে এসে ছিলেন দেশের নানা ক্ষেত্রের আলো জ্বালানো মানুষেরা। তাদের দেওয়া বক্তব্যের সংক্ষেপিত অংশ তুলে ধরা হলো।
নুরুল ইসলাম নাহিদ
শিক্ষামন্ত্রী

আমি খুবই আনন্দিত এবং সম্মানিত বোধ করছি এ ধরনের একটি সুন্দর অনুষ্ঠানে আমাকে যুক্ত করার জন্য। বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে সমকাল যে উদ্যোগ নিয়েছে তা জাতি গঠনে খুবই সহায়ক একটি উদ্যোগ। বিতর্কটি খুবই প্রাণবন্ত হয়েছে। তবে এ ধরনের বিতর্ক আরও মানসম্মত হওয়ার জন্য বেশি বেশি বিজ্ঞানভিত্তিক বিতর্কের চর্চা করতে হবে। এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, বিজ্ঞান শিক্ষা এক জিনিস আর বিজ্ঞানমনস্কতা অন্য জিনিস। বিজ্ঞান শিক্ষার মাধ্যমে আমরা বিজ্ঞানমনস্ক জাতিতে পরিণত হতে পারব। এ জন্য বেশি বেশি এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে। সুষ্ঠু চিন্তা ও সুষ্ঠু অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা বিজ্ঞানের প্রসার ঘটাতে সক্ষম হবো। ২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর থেকে আমরা ব্যাপক প্রচারণা চালাই। এতে করে বিজ্ঞান শিক্ষার শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন সোনার বাংলা গঠনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমরা বর্তমান শিক্ষানীতি প্রবর্তন করেছি। বর্তমানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলগুলোতেও বিজ্ঞানভিত্তিক সরঞ্জাম পেঁৗছে দেওয়া হয়েছে। ক্ষুধা-দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনে বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই। আজকের তরুণ প্রজন্মকেই এ দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের নতুন প্রজন্ম বিশ্বমানের প্রযুক্তি গড়ে তুলবে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র হতে পারি; কিন্তু আমাদের নতুন প্রজন্ম মেধার দিক থেকে মোটেও দরিদ্র নয়। বিজয়ী, বিজিত ও অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ।

ইয়াফেস ওসমান
প্রতিমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

এ দেশের তরুণ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী। তাদের জ্ঞান ও বিজ্ঞান নিয়ে আরও বেশি চর্চা করতে হবে। বিএফএফ ও সমকাল জ্ঞান চর্চার একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে ছন্দের সুরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'জ্ঞান বড় সম্পদ, চর্চায় বেড়ে যায়। নদীর স্রোতের মতো, থেমে গেলে মরে যায়।' সবাইকে নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইয়াফেস ওসমান বলেন, কৃষক থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর মানুষ প্রযুক্তি সুবিধা পেতে শুরু করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মও বিজ্ঞান চেতনা নিয়ে বেড়ে উঠছে। ছড়া করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ই-বুক নিয়ে পড়বে শিশু, বদলে দেবে দিন। পূর্ণ হবে আমাদের বাঁচা। মাটির যত ঋণ।'

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন

এ ধরনের প্রতিযোগিতা উন্নত জাতি গঠনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। ইউরোপ আমেরিকার দেশগুলোতেও তাদের স্বাধীনতার অনেক পরে বিজ্ঞান শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তারা আজ সবার ওপরে। সে তুলনায় আমরা অনেক দ্রুত এ কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছি। তাই একদিন আমাদের দেশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে। এ দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের তরুণ সমাজকে নিতে হবে। একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিজ্ঞান শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিতে সরকারকে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে।

ড. আবেদ চৌধুরী
বরেণ্য বিজ্ঞানী

বিজ্ঞান সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া ধানের জাতগুলো নতুন করে উদ্ভাবন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভুট্টার বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনে অভাবনীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণত হলুদ রঙের ভুট্টা বাজারে দেখা গেলেও সাদা, লাল, কালো এবং মাল্টি কালার ভুট্টার জিন উদ্ভাবন করা হয়েছে। এই ভুট্টা থেকে বাহারি রঙের ময়দা পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, এই উদ্ভাবন শিক্ষার্থীরা সহজেই চর্চা করতে পারবে।

মাহফুজ আনাম
সম্পাদক, ডেইলি স্টার

বিতর্ক তর্ক নয়। বিতর্ক হচ্ছে একটি আর্ট। এটি তোমার চিন্তার একটি যাত্রা। যে বিষয়টির ওপর তুমি বক্তব্য রাখছ তাতে একটি যৌক্তিক প্রবাহ থাকতে হবে। একটি বিষয় মাথায় রাখবা, যারা তোমার বক্তব্য শুনছে তারা যেন বক্তব্য শেষে তোমার পক্ষে চলে যায়। বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তোমাকে ৩টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। ১. তুমি কী বলছ? ২. কীভাবে বলছ? ৩. তোমার ব্যক্তিত্ব কতটুকু? বক্তব্য হতে হবে যুক্তিভিত্তিক। অনেকগুলো দৃষ্টান্ত থাকতে হবে। উদাহরণ দিতে হবে। পরিসংখ্যান দিতে হবে। বাচনভঙ্গি ও উচ্চারণ সঠিক হতে হবে। বিতর্ক হলো যোগাযোগের একটি মাধ্যম। তাই সবচেয়ে সরল ভাষায় সবচেয়ে কঠিনতম কথাগুলো বলতে হবে। দাঁড়ানোর ভঙ্গি সঠিক হতে হবে। দর্শক-শ্রোতা যাতে বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখবা, যুক্তিভিত্তিক কথা বললে তা জীবনের সর্বক্ষেত্রে তোমাকে একজন যৌক্তিক মানুষ হতে সহায়তা করবে। চাকরির ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তবে সবার আগে পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে হবে। আমি মানছি আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে; কিন্তু বাংলাদেশের অনেক ধনদৌলতও আছে। সাইকোলজিতে একটা কথা আছে, তুমি যদি সব সময় নেতিবাচক থাক তবে তোমার মন থেকে নেতিবাচক বিষয়গুলোই বেরিয়ে আসবে। আমাদের কী কী নেই সেদিকে নজর না দিয়ে কী কী আছে সেদিকে নজর দিলে তোমার মানসিকতার পরিবর্তন হবে। অনেক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই দেশকে নিয়ে তোমরা গর্ববোধ করবা। দেশকে ভালোবাসবা।

গোলাম সারওয়ার
সম্পাদক, সমকাল

তর্ক মানে যুক্তির আশ্রয়ে কথা বলা। অনেক সময় দেখা যায়, যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকে কথা বলেন কোনো যুক্তি ছাড়াই। শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বরাদ্দ না বাড়লে বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ে উঠবে না। জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এ নীতি মুখ থুবড়ে আছে। প্রগতিবিরোধী শক্তি শিক্ষানীতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেয়নি।

মেজর জেনারেল (অব.)
এস এম শাহাব উদ্দিন
নির্বাহী পরিচালক, সমকাল

এ প্রতিযোগিতায় যারা অংশগ্রহণ করেছে তারা সবাই দক্ষ। যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই এখানে এসেছে। যারা বিজ্ঞানমনস্ক হবে না তারা পিছিয়ে পড়বে। দুঃখজনক হলেও সত্য, সঠিক পরিচর্যার অভাবে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে রাখতে সমকাল এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। জীবন বাঁচাতে বিজ্ঞান, জীবন সাজাতে বিজ্ঞান ও জীবনের প্রয়োজনে বিজ্ঞান। রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরও বিজ্ঞানমনস্ক হতে হবে। সরকারকে বিজ্ঞানের ওপর বরাদ্দ আরও বাড়াতে হবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমকাল কাজ করে থাকে। সমকাল বিতর্কের পাশাপাশি বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করে থাকে।
মোহাম্মদ মেহমুদ হোসেন
প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ব্যাংক এশিয়া

আমাদের সংযুক্ত করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ। দীর্ঘদিন পর এ রকম একটা অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিতর্কের অপূর্ব শক্তি আমাদের মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতা সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে যুক্তি খণ্ডনের দক্ষতা অর্জিত হয়। ব্যাংক এশিয়া এ ধরনের কর্মকাণ্ডে খুব কমই অংশগ্রহণ করে থাকে। এই প্রথম আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হলাম। তবে ব্যাংক এশিয়া একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় বিশ্বাসী। প্রযুক্তির প্রসারে ব্যাংক এশিয়া প্রায় ১২০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে কম্পিউটার বিতরণ করেছে। এ ধরনের কার্যক্রমে ব্যাংক এশিয়া সব সময় পাশে থাকবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
মো. আসাদুজ্জামান সুবহানী
অধ্যক্ষ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ

বিতর্কের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীর বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তারা অনেক কিছু শিখতে ও জানতে পারে। সমকাল চাইলে আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকব। এ ধরনের আয়োজনের জন্য আমাদের কলেজ সব সময় প্রস্তুত। কলেজের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ।

মুস্তাফিজ শফি
নির্বাহী সম্পাদক, সমকাল

আমরা মানচিত্রের পেছনের মানুষ তৈরি করতে চাই। এজন্য বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়া প্রয়োজন। তবেই আজকের প্রজন্ম আগামী দিনে আইনস্টাইন, সত্যেন বোস, জগদীশচন্দ্র বসু হতে পারবে।
সমকাল বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ার এ প্রত্যয়কে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান চর্চা ছাড়া বিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্ভব নয়। আমরা সারাদেশে বিজ্ঞানের জয়যাত্রাকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান মেলা ও বিজ্ঞান বিতর্কের মতো আয়োজনের সঙ্গে সবসময়ই ছিলাম, আছি এবং থাকব।

বীণা খালেক
কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন

বাংলাদেশের নানা সমস্যা রয়েছে। দুর্যোগ এবং দারিদ্র্য যার অন্যতম। এই বিষয়গুলো নিয়েই প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন এদেশে কাজ করছে। আমরা যখন জানতে পারলাম দেশে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং তা রোধে সমকাল এবং বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন এ বিষয়ে বিতর্কের মতো একটি উদ্যোগ নিয়েছে; সে উদ্যোগে আমরাও অংশ নিয়েছি। দেশে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা যদি কমে গিয়ে থকে তাহলে সেটা দেশের জন্য অবশ্যই আশঙ্কাজনক। বিজ্ঞান ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমেই দারিদ্র্য বিমোচনসহ সব সমস্যা সমাধান সম্ভব।
আমরা চাইব বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতার এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক।
ওবায়দুল হক
জেনারেল ম্যানেজার
(সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং)
কোকোলা ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড

সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। জাতীয় পর্যায়ে বিজ্ঞানভিত্তিক এ ধরনের প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে কোকোলা পরিবার গর্ববোধ করছে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে এ প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়েছে, তা দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমাজের প্রতি আমাদের যে দায়বদ্ধতা আছে সে তাড়না থেকেই আমরা এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখতে পারব। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও উৎসাহিত করবে।

সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী
নির্বাহী পরিচালক, বিএফএফ

দেশে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্য ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন মনে করে এটা আমাদের দেশকে সংকটের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই, বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়নে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে আমরা দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছি। তাই সমকালের সঙ্গে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতা।

মাহবুব আজীজ
ফিচার সম্পাদক, সমকাল

তরুণ প্রজন্ম কখনোই পিছিয়ে থাকতে পারে না। আমরা চাই একটি চিন্তাশীল প্রজন্ম আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিক। বিজ্ঞান ছাড়া এটা সম্ভব নয়। তাই সমকাল একটি পত্রিকা হয়েও সামাজিক-সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে দেশের তরুণদের বিজ্ঞানমুখী করতে দেশের ৬৪ জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। শুধু বিতর্কই নয় আমরা প্রতি বছর বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করে থাকি।

গ্রন্থনা ::মোহাম্মদ আলী আকবর
আহ্বায়ক, সুহৃদ সমাবেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়