অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের গুরুত্ব বিশ্বব্যাপী বাড়ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচনসহ আর্থসামাজিক সূচকগুলোর উন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে এসএমই খাত। উন্নয়নশীল ও শিল্পোন্নত দেশগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বাংলাদেশেও এসএমই খাত ক্রমে বড় হচ্ছে। এক্ষেত্রে ব্যক্তি উদ্যোগই মুখ্য ভূমিকা রাখছে। তবে সরকারও এ খাতের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে নানা চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে অর্থায়নের অভাব। এ অবস্থায় এগিয়ে এসেছে পুঁজিবাজার। গত সেপ্টেম্বরে এসএমই কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেনের জন্য 'এসএমই বোর্ড' নামে পৃথক লেনদেন ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। ইতোমধ্যে প্রাইমারি শেয়ার বিক্রি করে তালিকাভুক্ত হয়েছে তিন কোম্পানি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি থেকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছে আরও কিছু কোম্পানি। এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন আনোয়ার ইব্রাহীম

দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকা থেকে শুরু করে মফস্বল বা বড় শহরের শহরতলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য ছোট ও মাঝারি কারখানা, যেখানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (যেমন বেকারি পণ্য, চালকল ইত্যাদি) থেকে শুরু প্লাস্টিক ও গৃহস্থালি পণ্য, এমনকি হালকা প্রকৌশল পণ্য (মোটর গাড়ি বা বড় কারখানার খুচরা যন্ত্রাংশ) প্রস্তুত হয়। এগুলোর সবই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত। প্রথাগত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে অনেকটা অযত্নে বেড়ে উঠছে এসব প্রতিষ্ঠান। গৃহস্থালির থালা-বাসন থেকে শুরু করে বৃহত্তম রপ্তানি শিল্প তৈরি পোশাকের ৭০ শতাংশের এক্সেসরিজ পণ্যের জোগান দিচ্ছে এসএমই খাত। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাংলাদেশ বিষয়ক ২০১৫ সালের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, জিডিপির ২৫ শতাংশ আসছে এসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান থেকে।

কিন্তু বাংলাদেশের এ পরিসংখ্যান অনেকটা ফিকে হয়ে যায়, যখন দেখা যায় অন্য উন্নত দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এসএমই প্রতিষ্ঠানের অবদান বহুগুণ বেশি। শিল্পোন্নত দেশ জাপানের মোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ৯৯ দশমিক ৭০ শতাংশই এসএমই খাতের। দেশটির জিডিপিতে এমন কোম্পানির অবদান ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ, কর্মসংস্থানে অবদান ৭২ শতাংশ।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের ৯৯ শতাংশ কোম্পানি এসএমই খাতের এবং সম্মিলিতভাবে এসব কোম্পানি দেশটির মোট জিডিপিতে ৬০ শতাংশ অবদান রাখছে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটিকার তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে চীনে যেখানে এসএমই প্রতিষ্ঠান ছিল ১ কোটি ৩১ লাখ, ২০২০ সালে এসে তা ৪ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। চীনের মোট কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশই জোগান দিচ্ছে এসএমই খাত। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৯৭ দশমিক ৬০ শতাংশ এ খাতের। দেশটির জিডিপি ৮০ শতাংশ আসছে এ খাত থেকে।

জাপানের বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সবই 'সাব-কন্ট্রাক্ট' ভিত্তিতে ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে খুচরা পণ্য, যন্ত্রাংশ, উপকরণ, সেবা ক্রয় করে। একই চিত্র আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে। চীনে সরকারই অঞ্চলভিত্তিক এসএমই প্রতিষ্ঠান গড়তে কারিগরি প্রশিক্ষণ, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। কমিউনিস্ট সরকার হয়েও চীন সরকার গত মাসে রাজধানী বেইজিংয়ে পৃথক স্টক এক্সচেঞ্জ গড়ার ঘোষণা দিয়েছে, যাতে এ ধরনের কোম্পানিগুলোর বড় হওয়ার পথে পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা যায়। অর্থ সংকট যাতে এ খাতের উন্নয়নে বাধা হতে না পারে, সেটাই চীন সরকারের এ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

চীন-জাপানের অর্থনীতিতে এসএমইর অবদানের তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশেও এসএমই খাতের উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দেশগুলো যেভাবে পরিকল্পিতভাবে ব্যাপক সহায়তা দিচ্ছে, বাংলাদেশে তেমনটি হচ্ছে না। দেশের এসএমই উদ্যোক্তারা একান্ত নিজের চেষ্টায় প্রতিষ্ঠান গড়ছেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে কারখানা বা ব্যবসা বড় করার সুযোগ পাচ্ছেন না কেবল অর্থের সংকটে। এভাবে প্রতি বছর হাজারো প্রতিষ্ঠান অঙ্কুরেই বন্ধ হচ্ছে। আশার কথা, অর্থায়নের এ সংকট মেটাতে বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কর্তৃপক্ষ বড় ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

বাংলাদেশে এসএমই :২০১৩ সালের বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী, দেশের ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ৮০ শতাংশ এসএমই খাতের। এসএমই খাত দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৪০ শতাংশের জোগান দিচ্ছে। কিন্তু জিডিপিতে এদের অবদান ২৫ শতাংশের বেশি নয়- এমন তথ্য উঠে এসেছে ২০১৫ সালে করা এডিবির এক পর্যালোচনায়।

এসএমই ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রচলিত ও অপ্রচলিত উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রমে রয়েছে প্রতিষ্ঠান ৭৮ লাখ, যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে আড়াই লাখ মানুষের। এদের প্রায় ২৩ শতাংশ আবার ম্যানুফ্যাকচারিং এসএমইতে নিয়োজিত। এ পরিসংখ্যান ২০১৩ সালের। আট বছর পর এমন প্রতিষ্ঠান সংখ্যা এখন কোটি এবং নিয়োজিত কর্মীর সংখ্যা প্রায় চার কোটিতে উন্নীত হয়েছে বলে মনে করে এসএমই ফাউন্ডেশন। আইএফসি-ম্যাককিনসের ২০১১ সমীক্ষা অনুযায়ী, মোট রপ্তানিতে এসএমই খাতের অবদান ১১ শতাংশ।

সরকার ২০০৩ সালে এসএমই উন্নয়নবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করে, যা এখন আর কার্যকর নেই। ২০০৭ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসএমই উন্নয়নের মুখ্য সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসএমই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ ফাউন্ডেশন এসএমই খাতকে ওয়ান স্টপ সেবা প্রদানের চেষ্টা করছে।

এসএমই ফাউন্ডেশন জানায়, তৈরি পোশাকের মতো পাট, চামড়া, ওষুধ, জাহাজ নির্মাণ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, অটোমোবাইল, হালকা প্রকৌশল এবং ইলেকট্রনিক্স খাতে এসএমই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বহুসংখ্যক ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ বা পশ্চাদসংযোগ শিল্প গড়ে ওঠার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদের মতে, বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চেয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়া সহজ। সঠিক প্রণোদনা ও নীতিসহায়তা পেলে আগামী দুই দশকে শুধু এসএমই খাতে ভর করে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং রপ্তানি বৈচিত্র্যে এসএমই খাত বড় ধরনের অবদান রাখতে পারবে। এতে শুধু অর্থনীতির আকারই বড় হবে না, তার সুফল দেশব্যাপী বৃহত্তর জনগোষ্ঠী পাবে। সঠিক প্রণোদনা পেলে ও পরিচর্যা করা হলে এসএমই খাতই অর্থনীতির 'গেম চ্যাঞ্জার' হয়ে উঠতে পারে বলে মত তার।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, একসময় দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের এক্সেসরিজ পণ্যের পুরোটা আমদানিনির্ভর ছিল। এখন প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি এক্সেসরিজ দেশেই তৈরি হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোম্পানির সংখ্যা প্রায় এক হাজার ৭০০টি। বৈশ্বিক মূল্য প্রতিযোগিতায় এসএমইভিত্তিক ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্প তৈরি পোশাক খাতকে কিছুটা হলেও সুবিধা করে দিচ্ছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমীন ভূঁইয়া বলেন, অর্থায়নের অভাবে এসএমই প্রতিষ্ঠান দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত অবদান রাখতে পারছে না। এসএমই ফাউন্ডেশন এবং ডিএসই যৌথ উদ্যোগে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করেন তিনি।

অর্থায়ন বড় সমস্যা :তবে এসএমই খাতের উন্নয়নের পথে বড় সমস্যা হলো অর্থায়ন সংকট এবং যা পুরোপুরি ব্যাংকনির্ভর। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৮৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ হয়েছে। গত জুন প্রান্তিক শেষে এ খাতে ঋণ স্থিতি ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান জানান, যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ হচ্ছে, চাহিদা আছে তার অন্তত চারগুণ। এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ কম হলেও ব্যাংকের নথিগত চাহিদা মেটাতে না পারায় তারা ঋণ পায় না। অনেক ক্ষেত্রে জামানতই প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অর্থের অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধও হয়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ ও বিশেষ নির্দেশনা দিলেও প্রথাগত ব্যাংক ব্যবস্থার কারণে তা সফল হচ্ছে না। এসএমই খাতের নামে অপেক্ষাকৃত বড় শিল্পে ঋণ যাচ্ছে বলেও অভিযোগ আছে। এসএমই খাতকে অর্থায়ন সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৮৮ সালে বেসিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও বড় প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ঋণ কেলেঙ্কারির ভারে এ ব্যাংক নিজেই ডুবতে বসেছে। সরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরও এসএমই খাতের অর্থায়ন সংকট কাটছে না বলে অভিযোগ করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।

এসএমইর অর্থায়নে শেয়ারবাজার :আশার কথা, এসএমই খাতের কোম্পানির এ অর্থায়ন সমস্যা মেটাতে এগিয়ে এসেছে দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রাইমারি শেয়ার বিক্রি করে সহজে এসএমই কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। গত মাসেই দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই ও সিএসই এসএমই খাতের কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের জন্য পৃথক প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। এখন পর্যন্ত তিনটি কোম্পানি প্রাইমারি শেয়ার বিক্রি করে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এগুলো হলো- নিয়ালকো অ্যালয়, মাস্টার ফিড এগ্রোটেক এবং অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ।

এসএমই খাতের কোম্পানিগুলোর অর্থায়ন সংকট মেটাতে এবং এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে ও তথ্য দিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন। এ বিষয়ক অনুষ্ঠানে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ৫ থেকে ৫০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনি কোম্পানিগুলো চাইলে শেয়ারবাজারে শেয়ার বিক্রি করে আরও মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। এ প্রক্রিয়ার আইনি নাম কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফার বা কিউআইও। ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রধান সুবিধা হলো- শেয়ার বিক্রি করে মূলধন তুললে তা ফেরত দেওয়ার সমস্যা নেই। অর্থাৎ উত্তোলিত মূলধন সংশ্নিষ্ট কোম্পানি আজীবন ব্যবহার করতে পারে। একবার তালিকাভুক্ত হলে পরের যে কোনো সময় আরও মূলধন বাড়ানোর সুযোগ আছে। চাইলে মালিকানা শেয়ার না করেও বন্ড বা ডিবেঞ্চার ইস্যু করেও শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের সুযোগ আছে বলে জানান তিনি। এসএমই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিলে এ তথ্যগুলো দেশব্যাপী এসএমই কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান বলে জানান ডিএসইর এমডি।

শেয়ারবাজার থেকে কম খরচে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন সংগ্রহের সুযোগ নিতে নিজেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র তৈরি, হিসাব ঠিকঠাক রাখা, ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসএমই কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মাসুদুর রহমান।

এসএমই কোম্পানির প্রাইমারি বা সেকেন্ডারি বাজারে শুধু এক কোটি টাকা বা তার বেশি সম্পদ থাকা ব্যক্তিরা (আয়কর রিটার্ন দ্বারা যাচাইকৃত) শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন। তবে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) থেকে আসা কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডাররা তাদের শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন।

মন্তব্য করুন