নতুন বছর আসতে আর মাত্র দু'দিন বাকী। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ইংরেজি নববর্ষ বরণ করতে আলাদাভাবে উৎসবের আয়োজন করা হয়। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে কিছু দেশে সারারাতই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে উৎসব উদযাপন করা হয়। যারা নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তারা বেছে নিতে পারেন এ জায়গাগুলো। ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২ টা ১ মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে এসব স্থানে শুরু হয় বিরতিহীন আনন্দোৎসব।

সিডনি : অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে মধ্যরাত থেকেই নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর উৎসব শুরু হয়। 

সিডনি


সিডনি হার্বারের অপেরা হাউস এবং হার্বারের ব্রিজে দৃষ্টিনন্দন আতশবাজি পোড়ানো হয়। আতশবাজির আলোর ঝলকানি উপভোগ করতে প্রতি বছরই এখানে জড়ো হয় লাখো জনতা। নতুন বছররকে স্বাগত জানানোর এ উৎসব চলে সারারাত ধরে। 

তাইপে : তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বিরাট উৎসবের আয়োজন করা হয়।

তাইপে শহরের সবচেয়ে সুউচ্চ ভবন অর্থাৎ ১০১ তলা থেকে মনোরম আতশবাজি প্রদর্শণ করা হয়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে গানের অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। 

ব্যাংকক : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এমননিতে সারাবছর পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত থাকে। তবে ইংরেজি নববর্ষের দিনে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এ জায়গায় সবচেয়ে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। যারা হৈ চৈ, ভিড় পছন্দ করেন তারা নতুন বছর উদযাপনে যেতে পারেন ব্যাংককে। 

ব্যাংকক


ব্যাংককের টাইমস স্কয়ার, সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ড প্লাজাতে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে নতুন বছর উদযাপনের জন্য। এছাড়া এখানকার শপি মল, বার, রেস্তোরাঁগুলোতে সারারাত ভিড় লেগেই থাকে। 

দুবাই : দুবাই তথা বিশ্বের সবচেয়ে সুউচ্চ ভবন বুরফা কাফিনাতে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে নানা আযোজন করা হয়। ২ হাজার ৭১৬ ফিট উচ্চতার এ ভবন থেকে দৃষ্টিনন্দন আতশবাজি পোড়ানো হয় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে, যা চলে প্রায় সারারাত ধরে। সেই সঙ্গে পর্যটকদের খাওয়া-দাওয়া, শপিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এ সুউচ্চ ভবনে। 

কেপটাউন : আফ্রিকান এবং গোটা বিশ্বের মধ্যে কেপটাউন অন্যতম সুন্দর শহর। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এ শহরটি আকর্ষণীয় সাজে সেজে ওঠে। সারারাত ধরে এ শহরে আতশবাজি পোড়ানো হয়। আতশবাজির আলোর ঝলকানিতে শহর ঝলমল করে।

এছাড়া নতুন বছর উপলক্ষে এ শহরে নানা অনুষ্ঠান এবং খাবারেরও আয়োজন করা হয়।

লন্ডন : ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন সেজে ওঠে নানা সজ্জায়। বর্ষবরণ উপলক্ষে এ শহরের বিভিন্ন স্থানে মনোমুগ্ধকর আতশবাজি পোড়ানো হয়। প্রাইমরোজ হিল, হ্যাম্পস্টেড হিথের পার্লামেন্ট হিল, গ্রিনউইচ পার্ক এবং আলেকজান্দ্রা প্যালেসের মতো পাহাড়ের চূড়াগুলো থেকে আতশবাজির দৃশ্য দেখতে অনেকেই অগ্রিম টিকেট কিনে রাখেন। 

ম্যানহাটনের টাইম স্কয়ার


নিউইয়র্ক : গোটা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে জাকজমকপূর্ণভাবে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় নিউইয়র্কে। ঘড়ির কাঁটায় ১২ টা ১ মিনিট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আতশবাজি পোড়ানোর মধ্য দিয়ে মূখরিত হয়ে ওঠে ম্যানহাটনের টাইম স্কয়ার ।ভিড়ের কারণে ওই স্থানে পৌঁছতে না পারলেও সমস্যা নেই। কারণ অনেক দূর থেকেও বড় পর্দায় দেখা যায় এ আয়োজন। বর্ষবরণের এ উৎসব চলে সারা রাত ধরে।  সূত্র : সিএনএন 


বিষয় : ভ্রমণ

মন্তব্য করুন