ঢাকা সোমবার, ২০ মে ২০২৪

সালথায় ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির ৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

সালথায় ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির ৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

ছবি: সমকাল

ফরিদপুর অফিস ও সালথা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২২ | ০৭:৫২ | আপডেট: ০২ ডিসেম্বর ২০২২ | ০৭:৫২

ফরিদপুরের সালথায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। 

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা সদরের সালথা সরকারি কলেজ মাঠের পাশের সড়কের ওপর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৩টি বিস্ফোরিত ককটেলের টিনের কৌটার অংশ, দেশীয় অস্ত্র ১১টি কাতরা, ৪টি স্টিলের পাইপ, ৫টি লোহার রড, ১২টি বাঁশের লাঠি, ১৬ জোড়া স্যান্ডেল, ৪২ খণ্ড ইটের ভাঙা টুকরা ও ১৯ টুকরা লাল কসটেপের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিস্ফোরণের ঘটনায় সালথা থানার এস আই আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বিএনপির ৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তাররা হলেন, সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের কাকিলাখোলা গ্রামের মো. মহিদ্দীন মাতুব্বরের ছেলে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পদক মো. নাছির মাতুব্বর (৪৩), আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের মৃত তফছির উদ্দীনের ছেলে বিএনপি কর্মী আমিনুল ইসলাম (৩৮) ও পাশের কিত্তা গ্রামের মৃত আছির উদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৪)।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সালথা কলেজ মাঠের পাশে হঠাৎ করে পরাপর বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ হয়। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তারা দেখেনি। 

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শেখ সাদিক বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে ছুঁটে গেলে তাদেরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে দুর্বৃত্তরা। এতে আমাদের দুই এসআই সহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে পুলিশ শর্টগানের ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়লে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতমানা ৪০-৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, মামলা রুজু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতের মাধ্য জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন

×