ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

অনলাইনে শিক্ষক বদলিতে অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইনে শিক্ষক বদলিতে অনিয়মের অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬:০৪ | আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬:০৪

পঞ্চগড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলির জন্য অনলাইন আবেদন করে হয়রানির শিকার হয়েছেন এক স্কুল শিক্ষক। আগের প্রতিষ্ঠান থেকে ছাড়পত্র নিয়ে অনুমিত বিদ্যালয়ে যোগদান করতে না পেরে বিভিন্ন দপ্তরে ঘোরাঘুরি করছেন তিনি। শিক্ষা কর্মকতা তাঁর বদলে কৌশলে অন্য একজনকে যোগদানের অনুমতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী শিক্ষকের। তবে শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, সফটওয়্যার জটিলতায় একই পদে দুই শিক্ষক যোগদানের আদেশ হওয়ায় এ জটিলতা দেখা দিয়েছে। 

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, অনলাইন আন্তঃজেলা শিক্ষক বদলি শুরু হলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার খোলাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, গলেহা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বকুলতলা প্রাথমিক ব্যিালয়ের সহকারী শিক্ষকের তিনটি পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর দিনাজপুরের বিরল উপজেলার গোবিন্দপুর রেজি. বে. প্রা. বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আফরোজা খাতুন তিন স্কুলের যে কোনো একটিতে যোগদানের জন্য আবেদন করেন।

এসএমএসের মাধ্যমে গত ২৭ মার্চ অফিস আদেশে তিনি গলেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের অনুমতি পান। ২৮ মার্চ সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, ইয়াসমিন আকতার নামে আরেক শিক্ষক একই স্কুলে যোগদানের অনুমতি পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আফরোজা খাতুনকে ফেরত পাঠান সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোসলেম উদ্দিন শাহ। তবে তিনি শিক্ষক ইয়াসমিন আকতারকে যোগদান করান। বিষয়টি জানতে পেরে ৩১ মার্চ শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোসলেম উদ্দিন শাহর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবরে অর্থের বিনিয়মে অনিয়মের অভিযোগ করেন আফরোজা খাতুন। পরে রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালকসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় পর্যন্ত যান এবং জটিলতা নিরসনসহ যোগদানের জন্য আবারও আবেদন করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোসলেম উদ্দিন শাহ বলেন, যোগদানের অনুমতি উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে আসে। একই পদে কেন দুই জনের নাম এসেছে, তা আমার জানার কথা নয়। বদলির কোনো ফাইলও আমি স্বাক্ষর করি না। তবে দুই জনের মধ্যে একজনকে কেন যোগদান করিয়েছেন– এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, সফটওয়্যার জটিলতার কারণে এমন সমস্যা হচ্ছে। ভুক্তভোগী শিক্ষককে মহাপরিচালক বরাবরে আবেদনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


আরও পড়ুন

×