এমপি রানার জামিন নামঞ্জুর, পরবর্তী শুনানি ২৭ সেপ্টেম্বর

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

ফাইল ছবি

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। মামলার সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ সময় চেয়ে আবেদন করলে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাকসুদা খানম এই দিন ধার্য করেন করেন। 

একই সঙ্গে মামলার প্রধান আসামী সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৬ জুলাই আাসমীপক্ষের এক জামিন আবেদনে শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ (৫ সেপ্টেম্বর) আদেশের দিন ধার্য করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবীরা আজ জামিন আদেশের ব্যপারে অধিকতর শুনানির আবেদন করলে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা তার বিরোধীতা করেন। 

টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ না হওয়ায় ১১টার সময় তাকে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মামলায় কারাগারে থাকা আরও তিন আসামি মোহাম্মদ আলী, আনিছুর রহমান রাজা ও সমিরকেও আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়া জামিনে থাকা আসামি নাসির উদ্দিন নুরু, মাসুদুর রহমান মাসুদ ও ফরিদ আহম্মেদ আদালতে হাজিরা দেন। 

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদকে শহরের কলেজপাড়ায় নিজ বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার দু'দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। 

পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হয়। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা, তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। 

এরপর ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এমপি রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। নয় বার তারিখ পেছানোর পর গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর এমপি রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন আদালত।