চট্টগ্রামে দৃষ্টিনন্দন জাম্বুরি পার্কের উদ্বোধন

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ছবি: সমকাল

চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে সাড়ে ৮ একর জায়গায় নির্মিত দৃষ্টিনন্দন জাম্বুরি পার্কের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় এই পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এই উপলক্ষে ফলক উন্মোচন, উদ্বোধন অনুষ্ঠান, আলোচনাসহ বর্ণিল আলোকসজ্জা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঢাকার রমনা পার্কের চেয়েও দৃষ্টিনন্দনভাবে এই পার্ক। পার্কটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার। পার্কে শুধু হাঁটবেন আর নিঃশ্বাস নেবেন। এখানে বসে সিগারেট কিংবা মাদক খাওয়া যাবে না। এখানে গোসল করবেন না; বাদাম খেয়ে খোসা ফেলবেন না। পার্ককে সুন্দর রাখতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে।

চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ আবদুল্লাহ নূর বলেন, দর্শনার্থীদের মানসিক প্রশান্তির জন্য এই পার্কে উন্মুক্ত উদ্যান এবং নির্মল বাতাসের জন্য জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে। দিনের মতো রাতেও দৃষ্টিনন্দন হবে পার্কটি।

পার্কের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইএইচবি অ্যান্ড নাহিয়ানের মানেজিং পার্টনার এরশাদুল হক বাবর বলেন, চট্টগ্রামে এতোবড় এলাকাজুড়ে এটিই প্রথম পার্ক। এই পার্কের নির্মাণের দায়িত্ব পেয়ে আমরা আনন্দিত। পার্কটিকে দৃষ্টিনন্দনভাবে গড়ে তুলতে সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। এখানে এসে দর্শনার্থীরা ভিন্নমাত্রার আনন্দ পাবে। সেইসঙ্গে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারবে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরে প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাংসদ এম আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, চট্টগ্রাম গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দীন আহাম্মদ প্রমুখ।

৮ দশমিক ৫৫ একর জমির ওপর পার্কটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ১৮ কোটি টাকা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পার্কটি বাস্তবায়ন করেছে গণপূর্ত অধিদফতর। সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে এবং কম্পাউন্ড রোড মিলে ৮ হাজার রানিং ফুটের মাঝে ৫০ হাজার বর্গফুটের জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে।

পার্কজুড়ে লাগানো হয়েছে ওষুধিসহ ৬৫ প্রজাতির ১০ হাজার গাছের চারা। দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য এখানে নির্মাণ করা হয়েছে তিনটি বড় গ্যালারি। পুরো পার্কে বসানো হয়েছে সাড়ে পাঁচ শতাধিক এলইডি লাইট। রাখা হয়েছে দু’টি পানির ফোয়ারা।