কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাত, বগুড়ায় যুবলীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

বগুড়া ব্যুরো

বগুড়ায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে জান্নাতুল ইয়াসমিন জিতু (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রী আহত হয়েছেন। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত জিতু বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি একটি বিউটি পার্লারেও কাজ করেন। 

ওই ঘটনায় আহত কলেজ ছাত্রীর বাবা জাহিদুর রহমান বগুড়া শহর যুবলীগ সভাপতি মাহফুজুল আলম জয়ের ছেলে অভিসহ তার ৪ সহযোগীর বিরল্ফম্নদ্ধে শনিবার সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

বগুড়া সদর থানার ওসি এস এম বদিউজ্জামান জানিয়েছেন, গত ৩০ আগস্ট বিকেলে ওই ছুরিকাঘাতের ঘটনাটি ঘটলেও মেয়েটির বাবা শনিবার মামলা করেছেন। 

তিনি জানান, এজাহারভুক্ত আসামী অভি যুবলীগ নেতা মাহফুজুল আলম জয়ের ছেলে। মামলায় তার আরও ৪ সহযোগীকে আসামী করা হয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মামলার বাদী বগুড়া সদরের পালশা বিদ্যুৎ নগরের বাসিন্দা জাহিদুর রহমান এজাহারে অভিযোগ করেছেন, শহরের উপশহর এলাকার বাসিন্দা মাহফুজুল আলম জয়ের ছেলে অভি তার মেয়েকে কলেজে যাওয়া-আসার পথে কুপ্রস্টত্মাব দিত। এমনকি খুন-জখমের হুমকিও দিত। 

গত ৩০ আগস্ট বিকেলের দিকে তার মেয়ে বাড়ি থেকে তার কর্মস্থল 'রূপছায়া' নামে বিউটি পার্লারে যাওয়ার পথে করনেশন স্কুল ও কলেজের সামনে পৌঁছার পর পরই অভিসহ ৩/৪জন দু'টি মোটর সাইকেলে তার পথরোধ করে। এরপর তারা তার মেয়েকে এলোপাথারী কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আসামী অভি তার কাছে থাকা চাকু দিয়ে তার মেয়ে জিতুকে হত্যার উদ্দেশ্যে উরুর নিচে ছুরিকাঘাত করে। 

তার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে অভিসহ তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

অভিযুক্ত অভির বাবা যুবলীগ নেতা মাহফুজুল আলম জয় দাবি করেন, ছুরিকাঘাতের ঘটনা তিনি জানেননা। তবে অভি ও জিতুর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক আছে।