'বিএনপির কেউ পদ্মা সেতুতে উঠবেন না, পড়ে গেলে দায় নেব না'

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮     আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বে টার্মিনালের জমি অধিগ্রহণের জন্য চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে নৌমন্ত্রী -সমকাল

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল বাস্তবায়ন হবে না মন্তব্য করে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, উন্নয়নের জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিকল্প নেই। পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করতে হলেও দরকার শেখ হাসিনার সরকার। বিএনপির কেউ দয়া করে পদ্মা সেতুতে উঠবেন না। দক্ষিণাঞ্চলে যেতে আপনারা ফেরি ব্যবহার করবেন। আপনাদের নেত্রীর কথা মনে রাখবেন। জোড়াতালির পদ্মা সেতু থেকে আপনারা পড়ে গেলে দায় নেব না আমরা।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বে টার্মিনালের জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনকে ৩৫২ কোটি ৬২ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর উপলক্ষে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত হচ্ছে মহাপাপী দল। মানুষ খুন করতে করতে ওরা মহাপাপী হয়েছে। খালেদার রাজনীতিই হচ্ছে মানুষ খুনের। আর শেখ হাসিনার রাজনীতি হচ্ছে উন্নয়নের।

বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। 

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স, সিঅ্যান্ডএফ, শিপিং এজেন্টসহ বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নৌমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১০ বছরে বন্দরের টাকায় ৪ লাখ বর্গমিটার ইয়ার্ড নির্মাণ হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ১ হাজার ২০০ মিটার রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। তিনটি গ্যান্ট্রি ক্রেন এসেছে, সাতটি এ বছর আসবে। ৩ হাজার জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। টাগবোট, অ্যাম্বুলেন্স শিপ কেনা হয়েছে। কারশেড, অকশন শেড নির্মাণ করা হয়েছে। মোবাইল স্ক্যানার ভেহিক্যাল সংগ্রহ করা হয়েছে। সিটিএমএস, ভিটিএমআইএস চালু হয়েছে। ২০০৯ সালে এ বন্দর ৯৮ তম ছিল। এখন ২৭ ধাপ এগিয়েছে। বন্দরের রিজার্ভও এখন ১৪ হাজার কোটি টাকা। 

অনুষ্ঠানে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা, দাবি ছিল বে টার্মিনাল নির্মাণ। এটি আজ আলোর মুখ দেখছে। বন্দরের সক্ষমতা ফুরিয়ে যাচ্ছে বলে যে আওয়াজ ছিল বে টার্মিনাল সেই সংকট দূর করবে।