কর্ণফুলীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে তোড়জোড়

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল হুমকিতে পড়ার আশঙ্কা

প্রকাশ: ১০ নভেম্বর ২০১৮       প্রিন্ট সংস্করণ     

সারোয়ার সুমন, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরকে হুমকির মুখে ফেলে কর্ণফুলী নদীতে ভাসমান এলএনজি (তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল নির্মাণের তোড়জোড় চলছে। কোনো রকমের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সমীক্ষা না করেই বিদেশি দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ ব্যাপারে চুক্তি করার প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত করছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অধীন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)। এ জন্য নৌ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা মতামতও নিয়েছে। এই মতামতে বন্দর কর্তৃপক্ষ আটটি সুনির্দিষ্ট পয়েন্ট উল্লেখ করে আপত্তি জানিয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের পত্রে জানানো হয়, 'ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হলে বন্দর চ্যানেলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে, বন্দরের কার্যক্রমও বিঘ্নিত হবে।' তবে বন্দরের এ মতামতে দ্বিমত পোষণ করে পাল্টা চিঠি দেওয়া হয় সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে। এর পর পাল্টে যায় বন্দর কর্তৃপক্ষের অবস্থান। এবার সাতটি পয়েন্ট উল্লেখ করে নতুন করে আবার 'কৌশলী' মতামত পাঠায় বন্দর। এই পত্রে 'সাময়িক অনাপত্তি প্রদান করা যেতে পারে' বলে মতামত দেয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। তার আগে চ্যানেলে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি ইন্টারন্যাশনাল শিপ অ্যান্ড পোর্ট ফ্যাসিলিটি সিকিউরিটি (আইএসপিএস) কমপ্লায়েন্সের নিরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান 'ইউএস কোস্টগার্ডে'র সঙ্গে আলোচনা করারও শর্ত জুড়ে দেয় তারা। এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থা তৈরি করেই দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের মুখে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্দর চ্যানেলের স্পর্শকাতর এ স্থানে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল হলে চ্যানেলে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করা তিন শতাধিক নৌযানই পড়বে হুমকিতে। ঝুঁকিতে থাকবে দেশের অন্যতম প্রধান সার কারখানা কাফকো, সিইউএফএল, বিমানবন্দরসহ এক ডজন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও। প্রসঙ্গত, দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের ৯২ ভাগই চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এ বন্দরের মাধ্যমে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকার রাজস্বও পায় সরকার। জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরসংলগ্ন কর্ণফুলীর কাফকোতে ১৫০ মিটার দীর্ঘ ও সিইউএফএলের জেটিতে ১৭০ মিটার দীর্ঘ দুটি এফআরএসইউ (ভাসমান স্টোরেজ ইউনিট) স্থাপন করা হবে। এ দুই জেটিতে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট করে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি জাহাজের একটি ৩৬৫ দিনই চ্যানেলে থাকবে। আরেকটি জাহাজ অন্তত ২৩০ দিন চ্যানেলে ওই জাহাজের সঙ্গে লাগোয়া থাকবে। দুটি জাহাজ পাশাপাশি অবস্থান করায় চ্যানেলের প্রশস্ততা সংকুচিত হবে। তারপরও সিঙ্গাপুরভিত্তিক গানভোর গ্রুপ লিমিটেড ও বেলজিয়ামভিত্তিক এক্সমার গ্রুপের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এলএনজি সরবরাহ নিতে সরকারের পক্ষে আরপিজিসিএল চুক্তি করতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে শিগগির এ চুক্তির খসড়া পাঠানো হবে।

কর্ণফুলী নদীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়। চলতি বছর ৩০ এপ্রিল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো প্রথম চিঠিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করে, 'সিইউএফএল ও কাফকো জেটিতে এফএসআরইউর মতো স্পর্শকাতর স্থাপনা নিরাপদ নৌ চলাচলে ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করবে।' ঝুঁকির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলা হয়, 'কর্ণফুলী চ্যানেলে সিইউএফএল ও কাফকোসংলগ্ন স্থানে নদীর সামগ্রিক প্রশস্ততা ৬০০ থেকে ৬৫০ মিটার হলেও বয়া টু বয়া প্রশস্ততা মাত্র ৩০০ মিটার। নদীর বাকি অগভীর অংশ লাইটার, কোস্টার ও অভ্যন্তরীণ জাহাজগুলোর নোঙরের জন্য নির্ধারিত। এফএসআরইউ এবং এলএনজি জাহাজ চ্যানেলের নেভিগেশনাল অংশের প্রশস্ততা সেইফটি মার্জিনসহ ১০০ মিটার কমিয়ে দেবে। সুনির্দিষ্টভাবে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ সিইউএফএল ও কাফকো জেটি অতিক্রমকালে ৫৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি অভিমুখে এবং জেটিগুলো থেকে ১৮০-২০০ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে গমনাগমন করে। এ ক্ষেত্রে ওই জেটিগুলোয় এফএসআরইউ স্থাপন ও এলএনজিবাহী জাহাজের অবস্থানের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মাত্র ১০০ থেকে ১১০ মিটার দূরত্বে অতিক্রম করতে হবে এবং ট্রানজিট লাইন অনুসরণ করা সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে এফএলআইউর সেইফটি সার্কেলটি ট্রানজিট লাইন অতিক্রম করবে।'

বন্দরে জাহাজ চলাচল বিঘ্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে পরবর্তী অনুচ্ছেদে বলা হয়, 'কর্ণফুলী চ্যানেলের সিইউএফএল ও কাফকোসংলগ্ন স্থানে আগমন ও নির্গমনকারী জাহাজগুলো একে অপরকে পাশাপাশি অতিক্রম করে থাকে। তখন জেটি থেকে জাহাজের চলাচল পথের দূরত্ব মাত্র ৮০ থেকে ১০০ মিটার এসে দাঁড়ায়। জেটিতে এফএসআরইউ এবং এলএনজি জাহাজ থাকলে চ্যানেলে বিপরীতমুখী জাহাজের ক্রসিং দুরূহ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে, যা সার্বিকভাবে বন্দরের জাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা কমিয়ে দেবে।' আবার ভাসমান জেটি নির্মিত হলে এলাকাটিতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো হাইড্রোলিক জাম্প (দুটি ভিন্নমুখী স্রোতের গতির প্রভাব) দ্বারা প্রভাবিত হবে, যা জাহাজ ও এফএসআরইউ স্থাপনার জন্য বিপদের কারণ হতে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন হওয়ার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের মতামতে আরও জানায়, 'আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী এলএনজিবাহী জাহাজ ও এফএসআরইউ স্থাপনা উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন হওয়ায় জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নূ্যনতম দূরত্ব এবং সেইফটি মার্জিন রাখার বিষয়টি প্রচলিত আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডের নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী এফএসআরইউতে কোনো এলএনজিবাহী জাহাজ না থাকা অবস্থায় ৫০ গজ, জাহাজ থাকা অবস্থায় ২০০ গজ এবং এলএনজি জাহাজ গমনাগমনের সময় ১০০০ গজ সেইফটি জোন সংরক্ষণের নির্দেশনা রয়েছে। সিইউএফএল ও কাফকো জেটিতে এফএসআরইউ স্থাপন করা হলে ওই নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটবে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে, যা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে পারে। একই সঙ্গে এফএসআরইউর অবস্থানের কারণে কর্ণফুলীর মতো সরু চ্যানেলে নৌ চলাচলের আন্তর্জাতিক প্রবিধান রুলস অব দ্য রোডের ৯ নম্বর বিধি অনুযায়ী চ্যানেলের ডানপাশ ঘেঁষে চলার বিধান অনুসরণ করা সম্ভব হবে না।'

গত পাঁচ বছরে সিইউএফএল ও কাফকো জেটি সন্নিকটবর্তী স্থানে ছোট-বড় পাঁচটি নৌ দুর্ঘটনা ঘটে। এফএসআরইউ এবং এলএনজি জাহাজ এই হার বিপজ্জনক মাত্রায় বৃদ্ধি করবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সবশেষে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলে, 'কর্ণফুলী নদীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হলে নিরাপত্তা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পোর্ট কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে। এমতাবস্থায় সিইউএফএল ও কাফকো জেটিতে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা যুক্তিযুক্ত হবে না।'

নৌ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এ মতামত যায় সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। এর পর ৭ জুন এই কার্যালয়ের পরিচালক-১১ জাজরিন নাহার স্বাক্ষরিত একটি পত্রে বলা হয়, 'বন্দরের পাঠানো মতামত গ্রহণযোগ্য নয়।' এরপর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ১৪ জুন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে লেখা ফিরতি আরেকটি পত্রে 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা আমলে' নিয়ে নতুন করে মতামত পাঠানোর নির্দেশনা দেয়। এ চিঠি পাওয়ার পর ১২ জুলাই আগের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন করে মতামত দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রথমবারের অবস্থান পরিবর্তন করে এবার বন্দর কর্তৃপক্ষ বলে, 'ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য সাময়িক অনাপত্তি প্রদান করা যেতে পারে।' তবে টার্মিনাল নির্মাণের আগে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি ইউএস কোস্টগার্ডের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করতে বলেন তারা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সতর্কতামূলক কিছু পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তারা।

এবারকার মতামতের শুরুতে বলা হয়, প্রস্তাবিত এফএসআরইউর পাশে এলএনজিবাহী জাহাজ অবস্থান করলে ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক অনুসৃত সেইফটি মার্জিন লিমিট বাণিজ্যিক জাহাজের সচরাচর অনুসরণকৃত ট্রানজিট লাইন অতিক্রম করে বিধায় এফএসআরইউ এবং এলএনজিবাহী জাহাজকে পাশাপাশি না রেখে আগে-পিছে রাখা সম্ভব হলে ট্রানজিট লাইন সেইফটি জোনের বাইরে অবস্থান করবে। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি কিছুটা কমবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় এফএসআরইউর সঙ্গে একটি টাগ ভেসেলও সার্বক্ষণিক রাখার পরামর্শ দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

ভাসমান টার্মিনালে অপেক্ষাকৃত কম প্রস্থের জাহাজ রাখার বিকল্প প্রস্তাব দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, 'প্রস্তাবিত এফএসআরইউ প্ল্যান্ট এবং এলএনজিবাহী জাহাজ দুটির প্রশস্ততা ৬৮ মিটার, যা চ্যানেলের নেভিগেবল অংশে অবস্থান করবে। এ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম প্রশস্তবিশিষ্ট এলএনজিবাহী জাহাজ ব্যবহার করা সম্ভব হবে; সেইফটি জোন চ্যানেলের ট্রানজিট লাইন থেকে দূরে সরে যাবে, যা সার্বিকভাবে নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাস করবে।' চ্যানেলে নাব্যতা বৃদ্ধি করা, কাফকো জেটির বিপরীতে নোঙর করা জাহাজ না রাখতে বিকল্প স্থানে ২০টি মুরিং বয়া সরবরাহ করা এবং ভাসমান এলএনজি পরিচালনায় কোনো দুর্ঘটনা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সামাল দিতে দক্ষ জনবল তৈরি করারও প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে। সবশেষে ইউএস কোস্টগার্ডের মতামত নিয়ে সাময়িক অনাপত্তি প্রদান করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

কে কী বলেন :সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, 'পুরো দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপরে। এটিকে হুমকিতে ফেলে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে তার খেসারত গুনতে হবে ১৬ কোটি মানুষকে। যে স্থানে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের তোড়জোড় চলছে, সেখানে চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়াও সার কারখানা, বিমানবন্দর, নৌঘাঁটিসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। একটি ভাসমান টার্মিনালের জন্য এতগুলো স্থাপনাকে ঝুঁকিতে ফেলা ঠিক হবে না। এ ব্যাপারে বন্দর কর্তৃপক্ষ দুই ধরনের মতামত দিলেও তাদের প্রথম মতামতটিই চাপমুক্ত ও যুক্তিযুক্ত। পরে সাময়িক অনাপত্তি প্রদান করা যেতে পারে বলে মতামত দিলেও তাতেও শর্ত যুক্ত করা আছে।'

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেন, 'কর্ণফুলী চ্যানেলে ভাসমান এলএনজি হবে কি-না, সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়। আমাদের মতামত মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।'

আরপিজিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) রফিকুল ইসলাম বলেন, 'কর্ণফুলীতে ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়। আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের মতামত পেয়েছি।' বন্দর থেকে দুই ধরনের মতামত আসার বিষয়টি জানা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম ...

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর এবং কর্মকর্তাদের নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করছে কুয়েত ...

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নে বড়গাঁও গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ...

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমি খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের একটি বড় অংশ সরকারি ...

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

২০১২ সালের ১২ মার্চ থেকে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ...

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

একসময় শীত এলেই পরিযায়ী পাখির কলরবে মুখর হতো নাসিরনগরের মেদীর ...