চবির কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম তদন্ত করছে দুদক

প্রকাশ: ২৭ মে ২০১৯      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কর্মচারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তা তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ জন্য দুই সদস্যের একটি দলও গঠন করা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর মেয়াদের শেষ সময়ে 'গণহারে' ১৪২ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন দুদকের বিভাগীয় পরিচালক আবদুল করিম। গত ২১ মে ইস্যু করা এক চিঠিতে তিনি এ ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের একটি দলও গঠন করে দেন। এ দলের প্রধান করা হয়েছে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপপরিচালক মুহা. মাহবুবুল আলমকে। সদস্য হিসেবে আছেন কার্যালয়-২ এর উপ-সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন। সার্বিক বিষয়টি তদারক করবেন বিভাগীয় পরিচালক নিজে।

দুদকের উপপরিচালক মুহা. মাহবুবুল আলম সাংবাদিকদের জানান, চবিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ১৪২ জন কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরও প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১৯তম সিন্ডিকেট সভায় এ নিয়োগ চূড়ান্ত হলেও সেখানে নিয়োগপ্রাপ্তদের নাম উপস্থাপন করা হয়নি। এ অনিয়ম তদন্তে কাজ করবে দুদক।

২০১৫ সালের ১৫ জুন চবি উপাচার্যের দায়িত্ব পান অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এ বছর ১৫ জুন তার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।