সাগরে ভাসছে প্রসাধনী তরল পদার্থভর্তি ব্যারেল

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের ফেরারওয়ে বয়াসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এমভি গলফ আরগো জাহাজডুবির পাঁচ দিন পরও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়নি। গত বৃহস্পতিবার ১৪ নাবিক ও ১৫২টি কনটেইনারসহ ডুবে যাওয়া জাহাজের মালপত্র সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন জেলেরা। ভেসে আসা তরল পদার্থভর্তি ব্যারেল ও প্রসাধনসামগ্রী সৈকতের গঙ্গামতি এলাকা থেকে উদ্ধারও করেছে মহিপুর থানা পুলিশ।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমেদ জানান, গঙ্গামতি সাগর সৈকতে ভেসে আসা একটি কনটেইনার থেকে তরল পদার্থভর্তি ৬০টি ড্রাম ও কিছু প্রসাধনী সামগ্রী উদ্ধার করেছেন।

কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব জানান, রোববার রাতে লালুয়া থেকে ১৪ বস্তা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়েছে। সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা ভাসমান অবস্থায় এসব পণ্য উদ্ধার করে তাদের কাছে হস্তান্তর করে। এসব মালপত্র ডুবে যাওয়া জাহাজের কি-না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

জাহাজ কোম্পানির লজিস্টিক ম্যানেজার মো. নুরুজ্জামান জানান, তারা এখনও জাহাজটি উদ্ধারের জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেননি। তবে জাহাজ এবং বহন করা মালপত্র রক্ষার জন্য মহিপুর থানায় তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ওই কপি তিনি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষকেও দিয়েছেন।

পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর এম জাহাঙ্গীর আলম জানান, ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধারের সক্ষমতা বন্দর কর্তৃপক্ষের নেই। জাহাজটি উদ্ধার করতে পারে ডাইরেক্টর জেনারেল অব শিপিং করপোরেশন। তবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তারা পায়রা চ্যানেল সমীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছেন। জাহাজডুবির কারণে এ চ্যানেলে অন্য জাহাজ চলাচলে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় কি-না, তা যাচাইয়ের জন্য এ সমীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।