সেন্টমার্টিনে আসছেন বিজিবি মহাপরিচালক

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সাফিনুল ইসলাম

মিয়ানমারের সীমান্ত ঘেঁষা কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে চৌকি পরিদির্শনে আসছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সাফিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে সেন্টমার্টিনে পৌঁছাবেন তিনি।

সোমবার বিকেলে এক ক্ষুদে বার্তায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সাল হাসান খান।

তিনি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা, বিজিবি’র বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখার জন্য মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিনে আসবেন বিজিবির মহা পরিচালক। এসময় দ্বীপের বিজিবির সদস্যদের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন বিজিবি মহাপরিচালক।

বিজিব সুত্রে জানায়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে বিজিবির কার্যক্রম ছিল। এরপর দ্বীপে কোস্ট গার্ড কাযক্রম চালিয়ে আসছিল। দীর্ঘ ২২ বছর বন্ধের পর তবে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল কোস্ট গার্ডের পাশাপাশি বিজিবিও সেখানে নিয়মিত টহল শুরু করে। মূলত সীমান্তের সুরক্ষা ও চোরচালান রোধে সরকার নতুন করে দ্বীপে বিজিবির একটি চৌকি স্থাপনার উদ্যোগ নেয়। এই চৌকি প্রথম বারের মত পরির্দশনে আসছেন বিজিবির মহা পরিচালক।

সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, 'দ্বীপে বিজিবি মহা পরিচালক আসার খবর শুনেছি। তবে দ্বীপে বিজিবি মোতায়েনের ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হয়েছে। এতে স্থানীয় অধিবাসী ও পর্যটকরা নিরাপত্তার বিষয়ে আর চিন্তা নেই।'

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের অক্টোবরের দিকে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে মিয়ানমার। মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট সম্প্রতি তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে সেন্টমার্টিনকে তাদের ভূখন্ডের অংশ বলে দেখানো হয়। গত ৬ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত উ লুইন ওকে তলব করে এর প্রতিবাদ জানায়। এরপর মিয়ানমারের মানচিত্র পরিবর্তন করা হয়।