আবরারের ছোট ভাইকে মারার অভিযোগ, পুলিশের দাবি ধাক্কাধাক্কি

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০১৯     আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৯      

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজ অভিযোগ করেছেন, পুলিশের  হাতে মারের শিকার হয়েছেন তিনি। এ সময় তার ফুফাত ভাইয়ের স্ত্রী তমাকেও লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, কাউকে মারা বা লাঠিচার্জ করা হয়নি। ধাক্কাধাক্কিতে কেউ আহত হয়ে থাকতে পারেন।

বুধবার বিকেলে আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টাকালে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন বুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। এক পর্যায়ে বুধবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামের ওই বাড়ির সামনে থেকে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের পাহারায় দ্রুত তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে কুমারখালীর রায়ডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছে প্রথমেই আবরারের কবর জিয়ারত করেন বুয়েট ভিসি। এরপর তিনি মাইক্রোবাসে আবরারের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় আবরারে ফুফাত ভাইয়ের স্ত্রী তমা গাড়ির সামনে রাস্তা আটকে দাঁড়ালে এক পুলিশ সদস্য তাকে সরিয়ে দিতে যান। ওই পুলিশ সদস্যকে তমা ধাক্কা দিলে আরেক নারী পুলিশ সদস্য এসে তমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। 

এক পর্যায়ে ওই বাড়ির সামনে কয়েকশ' নারী-পুরুষ অবস্থান নিয়ে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল করতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে যান পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা। এ সময় পুলিশের এক কর্মকর্তার কনুইয়ের আঘাতে আবরার ফায়াদের ছোট ভাই ফায়াজ আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় আবরারের বাড়িতে না গিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ভিসি।

আবরারের ছোট আবরার ফায়াজ অভিযোগ করে বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান কনুই দিয়ে আমার বুকে আঘাত করেছেন। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং তার প্রত্যাহার দাবি করছি। তারা আমার ভাবীকেও (তমা) অপমান করেছে।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, পুলিশ কাউকে মারেনি বা লাঠিচার্জ করেনি। ধাক্কাধাক্কিতে কেউ আহত হয়ে থাকতে পারেন।