জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সাজানো ধর্ষণ মামলা করে হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০১৯      

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরের মেলান্দহে জমির মামলায় হেরে গিয়ে বড় দুই ভাই, ভাবি, ভাতিজাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে। 

এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা অবিলম্বে ষড়যন্ত্রমূলক মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। 

জানা গেছে, মেলান্দহ পৌরসভার জালালপুর গ্রামের ইমরান হোসেন বাবুলের সঙ্গে তার মেঝো ভাই আব্দুর রশিদের জমি নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলে আসছিল। এ ব্যাপারে ইমরান তার বড় ভাই আতিকুর রহমানকে বিষয়টি সুরাহার প্রস্তাব দেন। আতিকুর রহমান অনেক চেষ্টা করেও ছোট দুই ভাইয়ের বিরোধ মিটাতে ব্যার্থ হন। এদিকে ইমরান হোসেন বাবুল ও আব্দুর রশিদের মধ্যে চলমান ৩টি মামলাতেই বাবুল হেরে যান। এতেই ক্ষুব্ধ হন ইমরান হোসেন বাবুল। 

আতিকুর রহমানের স্ত্রী রীনা বেগমের অভিযোগ, বড় ভাইদের ফাঁসাতে বাবুল তার সাড়ে চার বছরের এক শিশু নাতনিকে ভিকটিম বানিয়ে ধর্ষণের নাটক সাজান। পরে বড় ভাই আতিকুর রহমান ও রীনা বেগম, মেঝো ভাই আব্দুর রশিদ, তার স্ত্রী আকলিমা বেগম এবং দুই ছেলে আশিক ও রাজুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মেলান্দহ থানায় শিশু ধর্ষণ ও মারধরের একটি সাজানো মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, সাজানো এই মামলায় আমার স্বামী সত্তোর্ধ আতিকুর রহমানকে হাসপাতাল থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অসুস্থ অবস্থায় তিনি এক সপ্তাহ ধরে জামালপুর জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। 

এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ওসি রেজাউল ইসলাম খান বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দাযেরকৃত মামলাটি নিয়ে নানা কথা শোনা যাচ্ছে। অভিযোগের তদন্ত চলছে। ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষার রির্পোট পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।