হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন পূরণ: প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা পরিবারের

প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০১৯   

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

ছবি: সমকাল

ছবি: সমকাল

নন্দিত কথাসাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের গড়া শহীদ স্মৃতির বিদ্যাপীঠ এমপিওভুক্তি করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে তাঁর পরিবার। হুমায়ূনের জন্মস্থান কুতুবপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলটি এমপিওভুক্তির মধ্যদিয়ে বরেণ্য এ কথাসাহিত্যিকের স্বপ্ন পূরণ হলো।

হুমায়ুন আহমেদের ৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গত সোমবার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্কুলটি এমপিওভুক্তির জন্য সভায় পরিবারের পক্ষ থেকে হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। অনুষ্ঠানে ড. জাফর ইকবাল বলেন, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের ছাত্রছাত্রীরা একসঙ্গে লেখাপড়া, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার ইতিবাচক পরিবেশে বেড়ে উঠছে।

আলোচনা সভার সভাপতি হুমায়ূনপত্নী স্থপতি মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন ছিল গ্রামের পিছিয়ে পড়া ছেলে-মেয়েদের বিজ্ঞানমনস্ক ও মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলা। এ স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ যেন একদিন কলেজে- এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজেও রূপান্তরিত হয় সেই প্রচেষ্টা গ্রহণের জন্য সবার কাছে আবেদন রইলো। সিটিজেন গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী বলেন, অসীম কুমার উকিল আমাকে বলেছিলেন, নেত্রকোণা জেলায় একটি বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হলে সেটি হবে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ। তিনি নিজ প্রচেষ্টায় এ বিদ্যাপীঠ এমপিওভুক্ত করেছেন। এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি এ বিদ্যালয়ের আরও উন্নয়ন করবেন। 

এ প্রসঙ্গে এমপি অসীম কুমার উকিল তার বক্তব্যে বলেন, স্কুলটি এমপিওভুক্তির স্বপ্ন ছিল হুমায়ূন আহমেদের। সেটি হয়েছে। আগামী দিনের জন্যও আমি এ স্কুলের সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব আমার কাঁধে তুলে নিলাম।

রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাট্যকার এস এম ইকবাল রুমি বলেন, রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের ঐতিহ্যকে আরো বাড়িয়েছে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ। প্রতিবছর জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় স্কুলটির শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করছে। 

শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, আজ আমাদের আনন্দের কথা বলে শেষ করা যাবে না। এই বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।