সন্দ্বীপ উপজেলার সীমানা নির্ধারণের দাবিতে চট্টগ্রামে নাগরিক সমাবেশ

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০১৯      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

জেগে উঠা নতুন ভূমির মালিকানা পেতে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সীমানা পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে নাগরিক সমাজ। একই দাবিতে বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরীর কোর্ট বিল্ডিংস্থ শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

এতে বক্তারা বলেন, চিরাচরিত নিয়মে নদীর এপার ভাঙ্গে ওপার গড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় ৬৩০ বর্গমাইল বিশিষ্ট সন্দ্বীপ পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে ভাঙ্গনের শিকার হয়ে এখন মাত্র ৮০ বর্গমাইলে পরিণত হয়েছে। সন্দ্বীপ থেকে সাবেক ন্যায়মস্তি ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চরের দূরত্ব মাত্র ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার আর আমাদের পার্শ্ববর্তী উপজেলা হাতিয়ার নলাচির ঘাট থেকে ভাসান চর প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্বে।

তারা বলেন, সাবেক ন্যায়মস্তি ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চর জেগে উঠার পর থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বন বিভাগ থেকে সন্দ্বীপ বন রেঞ্জের মাধ্যমে বনায়ন করা হচ্ছিল। সঙ্গত কারণেই সাবেক ন্যায়মস্তি ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চর সন্দ্বীপ মানচিত্রের অংশ। কিন্তু সম্প্রতী ভাসান চর-কে নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত হাতিয়া উপজেলা তাদের ভূমি দাবি করায় আমরা এ প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নাগরিক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সন্দ্বীপ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম লিমিটেড ঢাকার সভাপতি মো. নূরুল আকতার।

সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খানের সঞ্চালনায় নাগরিক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ্, সাবেক জেলা জজ মো. আবু সুফিয়ান, গ্রামীণ ব্যবসা বিকাশের সাবেক এমডি সালেহা বেগম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক পরিচালক শামছুল কবির খান, মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক দিদারুল আলম, সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে আলহাজ শাহ আলম, এস.এম ইব্রাহিম, মোশাররফ হোসাইন, লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম সন্দ্বীপের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আলহাজ সলিমুল্লাহ।

আরও উপস্থিতছিলেন- কালাপানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল হক চৌধুরী বায়রন, সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের সমন্বয়ক যথাক্রমে মিজানুর রহমান বাবু, আব্দুল কাদের মানিক, মাকছুদের রহমান, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট তসলিমুল আলম, কবিয়াল কে.এম আজিজ উল্যা, মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে মাইনুর রহমান, নুরছাপা দুলাল, সাবেক সীতাকুন্ড উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলহাজ আ.ফ.ম ফোরকান উদ্দিন খান, সমাজসেবক যথাক্রমে আলহাজ কামাল পাশা, মোশারফ হোসেন ডিপ্টি, সাবেক ন্যায়মস্তি ইউনিয়নের নির্বাচিত তিনবারের মেম্বার সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তীর পুত্র তরুণ চক্রবর্তী, কারগিল হাই স্কুল প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শামসুল মাওলা মনির, মাসিহাতা গ্রুপের ডিজিএম আনোয়ারুল আলম মঞ্জু, অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন, অ্যাডভোকেট আকবর মাহমুদ বাবর, অ্যাডভোকেট এ.এইচ.এম মাইনুল আমীন, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কপিল উদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট কমল দাশ, অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জুয়েল, অ্যাডভোকেট এস.এম সাইফুর রহমান নওশাদ, অ্যাডভোকেট এস.এম মোস্তফা, এ.কে একাডেমি গাছুয়ার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সভাপতি মোসাদ্দেক আহমেদ, সাবেক ব্যাংকার আবুল কাশেম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সন্দ্বীপ উপজেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা দিদারুল মাওলা, জালালাবাদ হাউজিং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির পরিচালক হেলাল আহমদ, কারগিল হাই স্কুল প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান লিংকন, সম্মিলিত সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলনের সদস্য সচিব সাংবাদিক ইব্রাহিম অপু, সাবেক ছাত্রনেতা মহিউদ্দিন স্বপন, প্রাণী সম্পদ কর্মচারী সমিতি চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ট্রাস্ট ইন্স্যুরেন্সের এএমডি মাস্টার আফছার উদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, সমাজকর্মী যথাক্রমে রিপন তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, সন্দ্বীপ ল’ স্টুডেন্টস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম. হাসান খান, সন্দ্বীপ রক্তদাতা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আকাশ ইকবাল, সাপ্তাহিক আলোকিত সন্দ্বীপ পত্রিকার স্টাফ প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার নুর মোস্তফা আলী হাসান, আওয়ার মাদারল্যান্ড গ্রুপের চীফ এডমিন সাদমান সামি প্রমুখ।