ঢাকা শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের ডাক

জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের ডাক

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৩ | ১৪:০০ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৩ | ১৪:০০

কমিশন বাড়ানোসহ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা। দাবিগুলো পূরণে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হওয়ায় এ কর্মসূচি আহ্বান করা হয়েছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে ডিপো থেকে জ্বালানি উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখা হবে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার খুলনার খালিশপুরে ট্যাংকলরি ভবনে বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতি, খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন এবং পদ্মা মেঘনা ও যমুনা ট্যাংকলরি শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সমন্বয়ে আয়োজিত সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো হলো- জ্বালানি তেল পরিবহনকারী ট্যাংকলরির অর্থনৈতিক জীবনকাল ৫০ বছর করা, জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর প্রচলিত কমিশন কমপক্ষে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা এবং ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট হওয়ায় প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুস্পষ্ট গেজেট প্রকাশ করা।

জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির খুলনা বিভাগীয় সভাপতি আবদুল গফফার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির খুলনা বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম মোড়ল আবদুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুরাদ হোসেন, বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম মাহবুব আলম, খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মীর মোকছেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আলী আজিম, পদ্মা মেঘনা যমুনা ট্যাংকলরি শ্রমিক কল্যাণ সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম কালু, পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির নেতা মুরাদুজ্জামান মুরাদ, রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

মালিক সমিতির নেতারা বলেন, দাবি পূরণে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ৩ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখা হবে। চার বছর ধরে একই যৌক্তিক দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। কর্তৃপক্ষ কয়েকবার আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, প্রতিবারই সময় নিয়েছেন, কিন্তু দাবি বাস্তবায়ন করেনি। এ কারণে বাধ্য হয়ে আমাদের তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধের ধর্মঘটের ডাক দিতে হয়েছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন

×